হুমকি বন্ধ করতেই ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা- ট্রাম্প
- আপডেট সময় : ০২:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
হুমকি বন্ধ করতেই ইরানের ওপর ইসরায়েল ও আমেরিকা যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরানি শাসকদের হুমকি থামিয়ে দেওয়াই যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্য।
ট্রাম্প বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানে একটি বড় যুদ্ধ অভিযান শুরু করেছে। আমাদের লক্ষ্য হলো মার্কিন জনগণকে রক্ষা করা এবং ইরানি শাসকদের হুমকি বন্ধ করা।’ খবর আল জাজিরার।
এর আগে বাংলাদেশ সময় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানের অন্তত ৩০টি স্থানে আকস্মিকভাবে যৌথভাবে দফায় দফায় হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। বিস্ফোরণে শব্দের মাত্রা এতই ছিল যে, যা শোনা গেছে ইরানের রাজধানী তেহরান থেকেও। ফার্স নিউজ এজেন্সির খবর অনুযায়ী, শহরগুলো হলো, তেহরান, ইস্পাহান, কোম, কারাজ এবং কেরমানশাহ।
তবে এ ঘটনায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোন খবর জানায়নি ইরান। ইসরায়েলি হামলার পর প্রতিশোধ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। ইরানের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে এ কথা বলেছেন।
এই হামলাকে ‘আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা’ (প্রি-এম্পটিভ অ্যাটাক) বলেছে ইসরায়েল।
সংবাদ সংস্থাটির খবরে আরও বলা হয়, ইরানের রাজধানী তেহরানের ‘ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট’ এবং ‘রিপাবলিক’ এলাকায় একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। খবর বিবিসির।
যুক্তরাষ্ট্রের এক সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে ইরানে চলমান মার্কিন হামলাগুলো বর্তমানে মূলত সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোর ওপর চালানো হচ্ছে।
তবে অভিযানটি এখনো চলমান থাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। অন্য একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই হামলার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের সামরিক হুমকি মোকাবিলা করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিয়োজিত মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষা দেওয়া।
জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলার পর পাল্টা কোন হামলা চালায়নি ইরান। তারা আরো জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানে নেই। তাকে “নিরাপদ স্থানে” স্থানান্তর করা হয়েছে বলে ইরানি একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন।
খবরে আরো বলা হয়, অভিযানটি কয়েক মাস ধরে পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং এর সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল কয়েক সপ্তাহ আগে।
হামলার সময় দেশজুড়ে নাগরিকদের সতর্ক করে নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। আইডিএফ জানিয়েছে, এটি একটি সতর্কতা বার্তা, যেন জনগণ প্রস্তুত থাকে এবং ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা থাকলে তারা নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে পারে।













