ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খেরসনে রাশিয়ার বিমান হামলা, নিহত ১০

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২২ ৬৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইউক্রেনের খেরসনে শনিবার ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এ হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

রাশিয়ার এ হামলায় খেরসনের বেশ কয়েকটি আবাসিক ও প্রশাসনিক ভবন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ওই এলাকায় কোনো সামরিক অবকাঠামো বা স্থাপনা ছিল না বলে হামলার পর জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

চলতি বছরের ফেব্র“য়ারি মাসে ইউক্রেনে প্রথম হামলা চালায় রাশিয়া। এরপর ইউক্রেনের আঞ্চলিক রাজধানীগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র খেরসন শহর দখল করতে পেরেছিল রুশ সেনারা। তবে ইউক্রেনীয় সেনাদের পাল্টা হামলার মুখে নভেম্বরে খেরসন শহর থেকে পিছু হটে খেরসনের দানিপ্রো নদীর অপর প্রান্তে চলে যেতে বাধ্য হয় রুশ বাহিনী। তবে শহরটি ছাড়ার পর দূরপাল্লার অস্ত্র ও বিমান ব্যবহার করে সেখানে হামলা চালানো শুরু করে তারা।

সর্বশেষ ভয়বহ হামলার পর ধারণকৃত একটি ভিডিওতে দেখা যায় বেশ কয়েকটি মরদেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। গাড়ি ও ভবনে আগুন জ্বলছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি হামলার এ ব্যাপারে টেলিগ্রামে লিখেছেন, “হামলার এ ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়ত ‘সংবেদনশীল কন্টেন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। কিন্তু এগুলো সংবেদনশীল কন্টেন্ট নয়, এগুলো ইউক্রেন এবং ইউক্রেনীয়দের প্রকৃত জীবন।”

নিউজটি শেয়ার করুন

খেরসনে রাশিয়ার বিমান হামলা, নিহত ১০

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২২

ইউক্রেনের খেরসনে শনিবার ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এ হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

রাশিয়ার এ হামলায় খেরসনের বেশ কয়েকটি আবাসিক ও প্রশাসনিক ভবন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ওই এলাকায় কোনো সামরিক অবকাঠামো বা স্থাপনা ছিল না বলে হামলার পর জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

চলতি বছরের ফেব্র“য়ারি মাসে ইউক্রেনে প্রথম হামলা চালায় রাশিয়া। এরপর ইউক্রেনের আঞ্চলিক রাজধানীগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র খেরসন শহর দখল করতে পেরেছিল রুশ সেনারা। তবে ইউক্রেনীয় সেনাদের পাল্টা হামলার মুখে নভেম্বরে খেরসন শহর থেকে পিছু হটে খেরসনের দানিপ্রো নদীর অপর প্রান্তে চলে যেতে বাধ্য হয় রুশ বাহিনী। তবে শহরটি ছাড়ার পর দূরপাল্লার অস্ত্র ও বিমান ব্যবহার করে সেখানে হামলা চালানো শুরু করে তারা।

সর্বশেষ ভয়বহ হামলার পর ধারণকৃত একটি ভিডিওতে দেখা যায় বেশ কয়েকটি মরদেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। গাড়ি ও ভবনে আগুন জ্বলছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি হামলার এ ব্যাপারে টেলিগ্রামে লিখেছেন, “হামলার এ ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়ত ‘সংবেদনশীল কন্টেন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। কিন্তু এগুলো সংবেদনশীল কন্টেন্ট নয়, এগুলো ইউক্রেন এবং ইউক্রেনীয়দের প্রকৃত জীবন।”