ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডা. পদবি ব্যবহার, শীর্ষ জামায়াত নেতাকে শোকজ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ফেনী-৩ আসনের (সোনাগাজী-দাগনভুঁঞা) জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় মজলিসের শূরা সদস্য মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপালনকারী যুগ্ম জেলা জজ (ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল) সাজ্জাতুন নেছা এ নোটিশ দেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে তার নামের পূর্বে ডা. পদবি ব্যবহার করছেন।

কিন্তু তার নির্বাচনী হলফনামায় ডা. পদবি উল্লেখ করেননি, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। এছাড়া এম বি বি এস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২–এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নোটিশে মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে ৮ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যদিও এর আগেই ফখরুদ্দিন মানিক তথ্য-প্রমাণ দিয়ে এক ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, ‘ডা:’ পদবি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার এবং সম্মানহানির অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, অভিযোগ এবং শোকজ করলে তা অভিযোগ প্রমাণিত হয় না। অনেক সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা বুঝতে অথবা জানতে না পারলে তা সুস্পষ্ট ভাবে বুঝার জন্য শোকজ করেন। শুনানিতে তা সমাধান হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘ডা:’ পদবি নিয়ে যে অর্থে মিথ্যাচার এবং অপপ্রচার করা হচ্ছে তা একটি সেটেল্ড ইস্যু। আমার বিজয়ের সম্ভাবনায় ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে প্রতিপক্ষ এই ষড়যন্ত্র এবং কুট কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন। অচিরেই তাদের ষড়যন্ত্র ব্যার্থতায় পর্যবসিত হবে ইনশাল্লাহ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ডা. পদবি ব্যবহার, শীর্ষ জামায়াত নেতাকে শোকজ

আপডেট সময় : ০২:১৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ফেনী-৩ আসনের (সোনাগাজী-দাগনভুঁঞা) জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় মজলিসের শূরা সদস্য মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপালনকারী যুগ্ম জেলা জজ (ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল) সাজ্জাতুন নেছা এ নোটিশ দেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে তার নামের পূর্বে ডা. পদবি ব্যবহার করছেন।

কিন্তু তার নির্বাচনী হলফনামায় ডা. পদবি উল্লেখ করেননি, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। এছাড়া এম বি বি এস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২–এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নোটিশে মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে ৮ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যদিও এর আগেই ফখরুদ্দিন মানিক তথ্য-প্রমাণ দিয়ে এক ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, ‘ডা:’ পদবি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার এবং সম্মানহানির অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, অভিযোগ এবং শোকজ করলে তা অভিযোগ প্রমাণিত হয় না। অনেক সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা বুঝতে অথবা জানতে না পারলে তা সুস্পষ্ট ভাবে বুঝার জন্য শোকজ করেন। শুনানিতে তা সমাধান হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘ডা:’ পদবি নিয়ে যে অর্থে মিথ্যাচার এবং অপপ্রচার করা হচ্ছে তা একটি সেটেল্ড ইস্যু। আমার বিজয়ের সম্ভাবনায় ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে প্রতিপক্ষ এই ষড়যন্ত্র এবং কুট কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন। অচিরেই তাদের ষড়যন্ত্র ব্যার্থতায় পর্যবসিত হবে ইনশাল্লাহ।