ঢাকা ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ‘ইউএসএস গেরাল্ড আর ফোর্ড’ এবং এর সহযোগী যুদ্ধজাহাজগুলোকে শিগগিরই ক্যারিবিয়ান অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের আনুষ্ঠানিক মন্তব্য জানতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স যোগাযোগ করলেও দাপ্তরিক সময় অতিবাহিত হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

তবে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কয়েক দিন আগেই ওই অঞ্চলে আরেকটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ অবস্থান করছে, যা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে সক্ষম একাধিক যুদ্ধজাহাজসহ গত জানুয়ারি মাসেই সেখানে পৌঁছায়।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রয়ারি) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি দ্রুত চুক্তিতে পৌঁছানো প্রয়োজন, অন্যথায় পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। আগামী মাসের মধ্যেই দুই পক্ষ একটি সমঝোতায় আসতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও একই দিন ট্রাম্পের এই কূটনৈতিক ও সামরিক অবস্থানের প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, মার্কিন চাপের মুখে ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে বাধ্য হবে এবং এর ফলে ওই অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক সংঘাত এড়ানো সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৫:৫৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ‘ইউএসএস গেরাল্ড আর ফোর্ড’ এবং এর সহযোগী যুদ্ধজাহাজগুলোকে শিগগিরই ক্যারিবিয়ান অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের আনুষ্ঠানিক মন্তব্য জানতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স যোগাযোগ করলেও দাপ্তরিক সময় অতিবাহিত হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

তবে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কয়েক দিন আগেই ওই অঞ্চলে আরেকটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ অবস্থান করছে, যা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে সক্ষম একাধিক যুদ্ধজাহাজসহ গত জানুয়ারি মাসেই সেখানে পৌঁছায়।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রয়ারি) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি দ্রুত চুক্তিতে পৌঁছানো প্রয়োজন, অন্যথায় পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। আগামী মাসের মধ্যেই দুই পক্ষ একটি সমঝোতায় আসতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও একই দিন ট্রাম্পের এই কূটনৈতিক ও সামরিক অবস্থানের প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, মার্কিন চাপের মুখে ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে বাধ্য হবে এবং এর ফলে ওই অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক সংঘাত এড়ানো সম্ভব হবে।