কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
- আপডেট সময় : ১২:২৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
‘মহান শহীদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে’ ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) অমর একুশের প্রথম প্রহরে (রাত ১২টা ৭ মিনিটে) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।
শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অপর্ণ শেষে প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বাজানো হয় অমর একুশের কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রীসহ সেখানে উপস্থিত হাজারো মানুষ ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে শরিক হন। মোনাজাত শেষে প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার সদস্য ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে নিয়ে পুনরায় শ্রদ্ধা জানান। এরপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতারা শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এরপর দ্বিতীয় দফায় সাবেক প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে স্ত্রী জুবাইদা রহমান ছাড়াও কন্যা জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেৃতত্বে ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য, বিচারপতি, নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিভিন্ন বাহিনী প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে পুরো শহীদ মিনার এলাকাকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে।
ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রং তুলিতে শহীদ মিনারের বেদিসহ আশপাশের এলাকায় আলপনা আঁকা হয়েছে। শহীদ মিনার আবাসিক এলাকার দেওয়ালে লেখা হয়েছে বিখ্যাত কবি লেখকদের উক্তি।
নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুরো এলাকাকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় আনার পাশাপাশি ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। সন্ধ্যা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রণীত রুটম্যাপ কার্যকর করা হয়েছে।





















