ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবশেষে পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা আগেই জানিয়েছিলেন ড. নিয়াজ আহমদ খান। অবশেষে আজ (রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের কাছে।

উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফিরোজ গণমাধ্যমকে জানান, সকালে মন্ত্রীর দপ্তরে গিয়ে তিনি পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেছেন। তবে এখনো শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হলে পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক নানা কারণ বিবেচনায় নিয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নিয়ম অনুসারেই এখন পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন করা হবে।

এর আগে নির্বাচনের পূর্বে এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য বলেছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমও ইতিবাচক অবস্থায় পৌঁছেছে। সে প্রেক্ষাপটে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

তখন তিনি আরও উল্লেখ করেন, দায়িত্ব হস্তান্তরের ক্ষেত্রে যেন কোনো প্রশাসনিক শূন্যতা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়, সে জন্য প্রয়োজন হলে সরকার ও সংশ্লিষ্টদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কিছু সময় দায়িত্বে থাকার বিষয়টিও বিবেচনা করতে প্রস্তুত আছেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক সরকার চাইলে তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাজানোর সুযোগ থাকা উচিত। প্রয়োজনে তিনি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত এবং দ্রুত ডেপুটেশন শেষ করে নিজ বিভাগের শিক্ষকতায় ফিরে যেতে চান বলেও জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

অবশেষে পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা আগেই জানিয়েছিলেন ড. নিয়াজ আহমদ খান। অবশেষে আজ (রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের কাছে।

উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফিরোজ গণমাধ্যমকে জানান, সকালে মন্ত্রীর দপ্তরে গিয়ে তিনি পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেছেন। তবে এখনো শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হলে পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক নানা কারণ বিবেচনায় নিয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নিয়ম অনুসারেই এখন পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন করা হবে।

এর আগে নির্বাচনের পূর্বে এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য বলেছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমও ইতিবাচক অবস্থায় পৌঁছেছে। সে প্রেক্ষাপটে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

তখন তিনি আরও উল্লেখ করেন, দায়িত্ব হস্তান্তরের ক্ষেত্রে যেন কোনো প্রশাসনিক শূন্যতা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়, সে জন্য প্রয়োজন হলে সরকার ও সংশ্লিষ্টদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কিছু সময় দায়িত্বে থাকার বিষয়টিও বিবেচনা করতে প্রস্তুত আছেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক সরকার চাইলে তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাজানোর সুযোগ থাকা উচিত। প্রয়োজনে তিনি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত এবং দ্রুত ডেপুটেশন শেষ করে নিজ বিভাগের শিক্ষকতায় ফিরে যেতে চান বলেও জানান।