ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৬৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি, গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ভ্যাট গোয়েন্দার মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৫৭ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: ব্যাংকিং ও নন-ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৬৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির দায়ে অভিযোগে মামলা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর।

এছাড়া ভ্যাটযোগ্যসেবা দেওয়ার পরও প্রতিষ্ঠানটি এখনো ভ্যাট নিবন্ধণ গ্রহণ না করায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ভ্যাট গোয়েন্দারা আরেকটি মামলা করেছে বলে বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছেন নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (মূল্য সংযোজন কর) মহাপরিচালক ড. মইনুল খান।

তিনি জানান, ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাজমুন নাহার কায়সারের নেতৃত্বে একটি দল প্রতিষ্ঠানটির ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। তদন্তকালে গ্রামীণ ব্যাংকের এসব অনিয়ম বের হয়।

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সেবার কোড এস ০৫৬-এর আওতায় ব্যাংকিং ও নন-ব্যাংকিংসেবা প্রদান করে আসছে। কিন্তু ভ্যাট আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি এখনো নিবন্ধন গ্রহণ করেনি।

মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১ এর ধারা ১৫ এর উপধারা (১) অনুযায়ী করযোগ্য পণ্যের সরবরাহকারী বা করযোগ্য সেবা প্রদানকারীকে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিবন্ধন গ্রহণ করা বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এনবিআরের এসআরও (নং ১৮৩/২০১২) অনুযায়ী, ‘টার্নওভার নির্বিশেষে ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন গ্রহণ করতে হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

৬৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি, গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ভ্যাট গোয়েন্দার মামলা

আপডেট সময় : ০৩:৫৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: ব্যাংকিং ও নন-ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৬৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির দায়ে অভিযোগে মামলা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর।

এছাড়া ভ্যাটযোগ্যসেবা দেওয়ার পরও প্রতিষ্ঠানটি এখনো ভ্যাট নিবন্ধণ গ্রহণ না করায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ভ্যাট গোয়েন্দারা আরেকটি মামলা করেছে বলে বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছেন নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (মূল্য সংযোজন কর) মহাপরিচালক ড. মইনুল খান।

তিনি জানান, ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাজমুন নাহার কায়সারের নেতৃত্বে একটি দল প্রতিষ্ঠানটির ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। তদন্তকালে গ্রামীণ ব্যাংকের এসব অনিয়ম বের হয়।

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সেবার কোড এস ০৫৬-এর আওতায় ব্যাংকিং ও নন-ব্যাংকিংসেবা প্রদান করে আসছে। কিন্তু ভ্যাট আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি এখনো নিবন্ধন গ্রহণ করেনি।

মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১ এর ধারা ১৫ এর উপধারা (১) অনুযায়ী করযোগ্য পণ্যের সরবরাহকারী বা করযোগ্য সেবা প্রদানকারীকে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিবন্ধন গ্রহণ করা বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এনবিআরের এসআরও (নং ১৮৩/২০১২) অনুযায়ী, ‘টার্নওভার নির্বিশেষে ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন গ্রহণ করতে হবে।’