প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০১:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন শিক্ষাকে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশ্নফাঁস প্রসঙ্গ টেনে সাংবাদিকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বলেন, ‘টেলিগ্রাম গ্রুপে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এগুলো আপনারা (সাংবাদিকরা) না করলেও পারতেন। সাংবাদিকদের দায়িত্ব রয়েছে, একটি নিউজ দেয়ার আগে সেটি ভেরিফাই করা।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা দায়িত্ব পালন করেন, আপনাদের কথায় আমরাও সচেতন হয়েছি। আমরাও দায়িত্ব পালন করছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি এবং নেয়া হবে।’
এসময় গুজব না ছড়াতে সাংবাদিকদের আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতন করে তিনি বলেন, ‘আমরা সুন্দর পরিবেশে, সুন্দরভাবে পরীক্ষা নেব। তাদের গুজবে কান না দিতে আহ্বান জানাচ্ছি।’
সাংবাদিকরা যদি সচেতন হতো, তাহলে এমন ঘটনা ঘটতো না বলেও জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘পার্টিকুলারলি কাল কি একটি মিডিয়া এটি করেনি? এ মিডিয়ার কি দায়িত্ব ছিলো না খুঁজে দেখা, সত্যতা যাচাই করা?’
ফেসবুকের ওপর নির্ভরশীল না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ফেসবুক ইন্সট্যান্ট কফির মতো, ইন্সট্যান্ট কনটেন্ট আসছে। সেখানে মন্তব্য করা হচ্ছে।’
গুজবের কারণে ছাত্ররা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে ব্যাপারে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে বলেও জানান তিনি। সেই সঙ্গে এ ধরনের গুজবে সরকার বিব্রত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এসএসসি পরীক্ষার নিয়ে সবাই সন্তুষ্ট জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সন্তুষ্ট, অভিভাবক সন্তুষ্ট আমরাও সন্তুষ্ট। সামনের দিনে আমরা সুন্দরভাবে পরীক্ষা শেষ করতে চাই।’
পরীক্ষার্থীদের যে গ্যাপ সেটি আস্তে আস্তে কমিয়ে আনবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি ডিসেম্বর হলো পরীক্ষার মাস, জানুয়ারি থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হবে। সময় নষ্ট রোধ করতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘এসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষার মানোন্নয়নের কেন্দ্র হবে নাকি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনার প্রয়োজন। আমরা কি সত্যিকার অর্থে শিক্ষিত মানবসম্পদ তৈরি করছি, নাকি শুধু ডিগ্রি দিচ্ছি এই প্রশ্ন আমাদের সামনে রয়েছে।’
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শুধু নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নয়, এগুলোকে গবেষণার উৎকর্ষ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উন্নত করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ। এ সময় ইউজিসির অন্যান্য সদস্য, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, আইকিউএসি সেলের পরিচালক, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




















পুলিশের জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে : সংসদে প্রধানমন্ত্রী