জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলার ছাড়িয়েছে
- আপডেট সময় : ০১:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
ইরান যতক্ষণ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে না আসবে, ততক্ষণ হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকবে—প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। আজ (বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ শুরুর পর এটিই সর্বোচ্চ দাম।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দামও ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৯ ডলারে পৌঁছেছে।
জুন মাসের ডেলিভারির জন্য বর্তমান ব্রেন্ট ফিউচার্স চুক্তির মেয়াদ বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে। এশিয়ার সকালের লেনদেনে তুলনামূলক বেশি সক্রিয় জুলাই চুক্তির দামও প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে ১১৩ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছায়।
এশীয় বাজারের লেনদেনে দেখা যায়, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ বা ৭ ডলার ১২ সেন্ট বেড়ে ১২৫ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৩ দশমিক ৩০ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১০ ডলার ৩০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল গ্রিনিচ মান সময় ভোর ৪টা ৫৩ মিনিটের দিকে এই উল্লম্ফন দেখা দেয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, তেহরানের সঙ্গে অচলাবস্থা কাটাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের ওপর ধারাবাহিক ‘স্বল্প ও শক্তিশালী’ হামলার একটি পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে। এতে অবকাঠামোগত লক্ষ্যবস্তু অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
আরেকটি পরিকল্পনায় হরমুজ প্রণালির একটি অংশ দখল করে তা বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে স্থলবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হতে পারে।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে বিবিসি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তেহরান যতদিন হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোকে হুমকি দিতে থাকবে, ততদিন ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ বজায় রাখা হবে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এর আগে, ইরানের ওপর ‘দীর্ঘমেয়াদি’ অবরোধের প্রস্তুতির খবরের পর বুধবারও তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ বেড়েছিল।


























রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন: নাহিদ ইসলাম