বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
/ জলবায়ু ও পরিবেশ
টানা কয়েক দিনের তীব্র গরমের পর রাজধানী ঢাকা জুড়ে স্বস্তির বৃষ্টির দেখা মিলেছে। একপশলা বৃষ্টিতে চলমান ভ্যাপসা গরম থেকে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছে নগরবাসী। বুধবার (২৫ মে) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে হঠাৎ করেই দমকা হাওয়ার সঙ্গে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। কোথাও ......বিস্তারিত......
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে। প্রধান নদীগুলোর পানি এখনো বিপৎসীমার উপরে থাকলেও, লোকালয়ে ঢুকে পড়া পানি কমতে শুরু করেছে। তবে কমেনি মানুষের ভোগান্তি। নোংরা আবর্জনা ছড়িয়ে আছে অলি-গলিতে, পানিবাহিত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা করছেন দুর্গতরা। নগরী ও বিভিন্ন উপজেলায় বিশুদ্ধ
অক্ষত রয়েছে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত টোঙ্গা আন্ডারওয়াটার আগ্নেয়গিরি। এটি আবার জ্বলে ওঠার আশংকা করছেন নিউজিল্যান্ডের একদল গবেষক। সম্প্রতি, হুঙ্গা-টোঙ্গা হুঙ্গা-হাপাই-এইচটিএইচএইচ এবং আশেপাশের সমুদ্রতলের অগ্ন্যুৎপাত-পরবর্তী অবস্থার মানচিত্র তৈরির দায়িত্ব পেয়েছে, নিউজিল্যান্ডের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ওয়াটার অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক-এনআইডব্লিউএ। এনআইডব্লিউএনএ’র একটি গবেষণা
ঝড় ও ভারী বর্ষণের ফলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ভারতের দিল্লি ও এর আশপাশের কিছু এলাকা। বৈরী আবহাওয়ার কারণে দিল্লি ইন্দিরা গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল বিমানবন্দরসহ আরও কয়েকটি বিমানবন্দরে যথাসময়ে ফ্লাইট পরিচালনা বিঘ্নিত হয়েছে। যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে ফ্লাইটের আপডেট খবর নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে
উজানের ঢল কম আসায় সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। কমতে শুরু করেছে সুরমা নদীর পানি। কুশিয়ারার পানি দু’টি পয়েন্টে বাড়লেও অন্যান্য স্থানে কমছে। সিলেট শহরসহ প্লাবিত এলাকাগুলো থেকে পানি নামছে ধীরগতিতে। সুনামগঞ্জের সুরমা, কুশিয়ারা এবং যাদুকাটা নদীর পানিও কমছে।
ভারতের আসাম, অরুণাচল ও মেঘালয়ে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩১ জেলার ৭ লাখের বেশি মানুষ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মধ্য আসামের ন-গাঁও জেলা। আসাম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২৩৪টি
আসামে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় দুর্ভোগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের। বন্যার কারণে রাজ্যটির আড়াই হাজারের বেশি গ্রামের আট লাখের বেশি বাসিন্দা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এপর্যন্ত বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১৪ জনের প্রাণহানি হয়েছে। রাজ্যের যমুনামুখ জেলার ৫ শতাধিক পরিবার পলিথিনের তাবু
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা অব্যাহত আছে। এই দুই অঞ্চল থেকে বন্যার পানি নেমে যেতে আরও ৫ থেকে ৭ দিন লেগে যেতে পারে। অন্যদিকে উজান থেকে বন্যার পানি নেমে আসায় ভাটির আরও দুই জেলা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বন্যা আক্রান্ত হতে পারে।