ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেল বিক্রিতে কড়াকড়ি: নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি বিক্রি করা যাবে না

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ ৪৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে জ্বালানি তেলের মজুত নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে তৈরি হওয়া উদ্বেগ ও গুজব নিরসনে বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। এখন থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়িভেদে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল বিক্রি করা যাবে না। একইসঙ্গে তেল ক্রয়ের ক্ষেত্রে রশিদ সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আজ (শুক্রবার, ৬ মার্চ) বিপিসি প্রকাশিত এক প্রেস রিলিজে জানানো হয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে কিছুটা ধীরগতি থাকলেও দেশে পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার কাজ চলছে। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারণার ফলে গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পারে।

বিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতিদিন একটি গাড়ি একবারের জন্য নিচের পরিমাণে তেল নিতে পারবে:

মোটরসাইকেল: সর্বোচ্চ ২ লিটার (অকটেন/পেট্রোল)।

প্রাইভেট কার: সর্বোচ্চ ১০ লিটার (অকটেন/পেট্রোল)।

জিপ ও মাইক্রো বাস: ২০ থেকে ২৫ লিটার।

পিকআপ ও লোকাল বাস: ৭০ থেকে ৮০ লিটার (ডিজেল)।

দূরপাল্লার বাস ও ট্রাক: ২০০ থেকে ২২০ লিটার (ডিজেল)।

এখন থেকে ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেয়ার সময় ক্রেতাকে অবশ্যই তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য সম্বলিত ক্রয় রশিদ সংগ্রহ করতে হবে। পরবর্তীবার তেল নিতে আসার সময় আগের সেই রশিদের মূল কপি জমা দিতে হবে। রশিদ ছাড়া কোনো ডিলার বা ফিলিং স্টেশন তেল সরবরাহ করতে পারবে না।

বিপিসি স্পষ্ট জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে তেলের কোনো ঘাটতি নেই এবং রেল ওয়াগন ও ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে দেশের সব ডিপোতে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে। এছাড়া সরকার তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। তাই সংকটের অজুহাতে কোনো পাম্প বা ডিলার অতিরিক্ত মূল্য আদায় করলে তা আইনগত অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

বিপিসি আরও জানায়, অনুমোদহীনভাবে তেল মজুত করার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সাধারণ জনগণ ও ডিলারদের সহযোগিতা কামনা করেছে সংস্থাটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি তেল বিক্রিতে কড়াকড়ি: নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি বিক্রি করা যাবে না

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

দেশে জ্বালানি তেলের মজুত নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে তৈরি হওয়া উদ্বেগ ও গুজব নিরসনে বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। এখন থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়িভেদে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল বিক্রি করা যাবে না। একইসঙ্গে তেল ক্রয়ের ক্ষেত্রে রশিদ সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আজ (শুক্রবার, ৬ মার্চ) বিপিসি প্রকাশিত এক প্রেস রিলিজে জানানো হয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে কিছুটা ধীরগতি থাকলেও দেশে পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার কাজ চলছে। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারণার ফলে গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পারে।

বিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতিদিন একটি গাড়ি একবারের জন্য নিচের পরিমাণে তেল নিতে পারবে:

মোটরসাইকেল: সর্বোচ্চ ২ লিটার (অকটেন/পেট্রোল)।

প্রাইভেট কার: সর্বোচ্চ ১০ লিটার (অকটেন/পেট্রোল)।

জিপ ও মাইক্রো বাস: ২০ থেকে ২৫ লিটার।

পিকআপ ও লোকাল বাস: ৭০ থেকে ৮০ লিটার (ডিজেল)।

দূরপাল্লার বাস ও ট্রাক: ২০০ থেকে ২২০ লিটার (ডিজেল)।

এখন থেকে ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেয়ার সময় ক্রেতাকে অবশ্যই তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য সম্বলিত ক্রয় রশিদ সংগ্রহ করতে হবে। পরবর্তীবার তেল নিতে আসার সময় আগের সেই রশিদের মূল কপি জমা দিতে হবে। রশিদ ছাড়া কোনো ডিলার বা ফিলিং স্টেশন তেল সরবরাহ করতে পারবে না।

বিপিসি স্পষ্ট জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে তেলের কোনো ঘাটতি নেই এবং রেল ওয়াগন ও ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে দেশের সব ডিপোতে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে। এছাড়া সরকার তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। তাই সংকটের অজুহাতে কোনো পাম্প বা ডিলার অতিরিক্ত মূল্য আদায় করলে তা আইনগত অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

বিপিসি আরও জানায়, অনুমোদহীনভাবে তেল মজুত করার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সাধারণ জনগণ ও ডিলারদের সহযোগিতা কামনা করেছে সংস্থাটি।