ঢাকা ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তীব্র খরায় বিপর্যস্ত ফ্রান্সে চরম পানি সংকট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৮:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩ ৩৭ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তীব্র খরায় বিপর্যস্ত ফ্রান্সে চরমে পৌঁছেছে পানি সংকট। দেশটির দীর্ঘতম লোয়া নদীর পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। বাধ্য হয়ে পানির ব্যবহার কমাতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে ফরাসি সরকার। ভোক্তা পর্যায়ে অপচয় বন্ধ এবং বৃষ্টির পানি ব্যবহারে নেয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ।

ফ্রান্সের দীর্ঘতম নদী লোয়া। স্বাভাবিক অবস্থায় এই মৌসুমে ভরপুর থাকে পানিতে। অথচ এবছর তীব্র খরায় নদীর পানি শুকিয়ে ঠেকেছে তলানিতে।

পানির স্তর এতোটাই নেমে এসেছে, বেরিয়ে এসেছে তলদেশের বালিও। নৌকা চলাচল বন্ধের পাশাপাশি বন্ধ রাখা হয়েছে মাছ ধরার ট্রলারও।

ইতিহাসের তীব্রতম খরা এবার দেখছে ফ্রান্সের অন্যান্য অঞ্চলগুলোও। বসন্তে যখন বরফ গলার সময়, তখনও মাটিতে ফাটল। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, গ্রীষ্মে পরিস্থিতি হবে আরও ভয়াবহ; এনিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে উদ্বেগ।

পানি সংকট চরম পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় নানা উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। ৫টি বিভাগকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আরোপ হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ।

এবছর গেলো বর্ষায় স্বাভাবিকের তুলনায় ৭৫ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে ফ্রান্সে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তীব্র খরায় বিপর্যস্ত ফ্রান্সে চরম পানি সংকট

আপডেট সময় : ১০:৪৮:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩

তীব্র খরায় বিপর্যস্ত ফ্রান্সে চরমে পৌঁছেছে পানি সংকট। দেশটির দীর্ঘতম লোয়া নদীর পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। বাধ্য হয়ে পানির ব্যবহার কমাতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে ফরাসি সরকার। ভোক্তা পর্যায়ে অপচয় বন্ধ এবং বৃষ্টির পানি ব্যবহারে নেয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ।

ফ্রান্সের দীর্ঘতম নদী লোয়া। স্বাভাবিক অবস্থায় এই মৌসুমে ভরপুর থাকে পানিতে। অথচ এবছর তীব্র খরায় নদীর পানি শুকিয়ে ঠেকেছে তলানিতে।

পানির স্তর এতোটাই নেমে এসেছে, বেরিয়ে এসেছে তলদেশের বালিও। নৌকা চলাচল বন্ধের পাশাপাশি বন্ধ রাখা হয়েছে মাছ ধরার ট্রলারও।

ইতিহাসের তীব্রতম খরা এবার দেখছে ফ্রান্সের অন্যান্য অঞ্চলগুলোও। বসন্তে যখন বরফ গলার সময়, তখনও মাটিতে ফাটল। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, গ্রীষ্মে পরিস্থিতি হবে আরও ভয়াবহ; এনিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে উদ্বেগ।

পানি সংকট চরম পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় নানা উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। ৫টি বিভাগকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আরোপ হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ।

এবছর গেলো বর্ষায় স্বাভাবিকের তুলনায় ৭৫ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে ফ্রান্সে।