ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের হাতে মাত্র ১০ সপ্তাহের গম আছে!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২ ৭৪ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বব্যাপী খাদ্য অনিরাপত্তা চরম পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে। ২০০৮ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার পর যা দেখেননি কেউ। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন নেটওয়ার্ক আরটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশ্বজুড়ে খাদ্য সরবরাহের পূর্বাভাস দেয়া প্রতিষ্ঠান গ্রো ইন্টেলিজেন্সের প্রধান নির্বাহী সারা মেঙ্কের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন, বিশ্বের হাতে আর মাত্র ১০ সপ্তাহের গম মজুত আছে।

গত শনিবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের বিশেষ বৈঠকে বক্তৃতা করেন সারা। এসময় তিনি বলেন, সারা বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার জন্য রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত দায়ী নয়। বরং গোটা দুনিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে জ্বলতে থাকা আগুনে এটি শুধু জ্বালানি জুগিয়েছে।

এ বিশেষজ্ঞ উল্লেখ করেন, তাবৎ বিশ্বে খাদ্য সঙ্কটের নেপথ্যে রয়েছে সারের জোগানের অভাব, সরবরাহ চেইনে সমস্যা এবং রেকর্ড খরা।

সারা বলেন, আগামীকালই যদি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হয়ে যায়, তবু খাদ্যসঙ্কটের সুরাহা হবে না। কেবল সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই তা সম্ভব।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, অন্যথায় মানব দুর্ভোগ ও আর্থিক দুর্দশার ঝুঁকি বাড়বেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বের হাতে মাত্র ১০ সপ্তাহের গম আছে!

আপডেট সময় : ০১:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২

বিশ্বব্যাপী খাদ্য অনিরাপত্তা চরম পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে। ২০০৮ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার পর যা দেখেননি কেউ। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন নেটওয়ার্ক আরটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশ্বজুড়ে খাদ্য সরবরাহের পূর্বাভাস দেয়া প্রতিষ্ঠান গ্রো ইন্টেলিজেন্সের প্রধান নির্বাহী সারা মেঙ্কের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন, বিশ্বের হাতে আর মাত্র ১০ সপ্তাহের গম মজুত আছে।

গত শনিবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের বিশেষ বৈঠকে বক্তৃতা করেন সারা। এসময় তিনি বলেন, সারা বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার জন্য রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত দায়ী নয়। বরং গোটা দুনিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে জ্বলতে থাকা আগুনে এটি শুধু জ্বালানি জুগিয়েছে।

এ বিশেষজ্ঞ উল্লেখ করেন, তাবৎ বিশ্বে খাদ্য সঙ্কটের নেপথ্যে রয়েছে সারের জোগানের অভাব, সরবরাহ চেইনে সমস্যা এবং রেকর্ড খরা।

সারা বলেন, আগামীকালই যদি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হয়ে যায়, তবু খাদ্যসঙ্কটের সুরাহা হবে না। কেবল সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই তা সম্ভব।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, অন্যথায় মানব দুর্ভোগ ও আর্থিক দুর্দশার ঝুঁকি বাড়বেই।