ঢাকা ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমি ব্যালন ডি অর প্রাপ্য ছিলাম: রাফিনিয়া

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৫ সালের ব্যালন ডি অর না পেয়ে হতাশার কথা জানিয়েছেন বার্সেলোনার ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া। দুর্দান্ত একটি মৌসুম কাটানোর পরও শীর্ষ তিনে না থাকায় বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে জানান তিনি।

গত সেপ্টেম্বরে প্যারিসে ব্যালন ডি অর অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জেতেন পিএসজির উসমান দেম্বেলে। রাফিনিয়ার সতীর্থ লামিনে ইয়ামালকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। আর রাফিনিয়ার অবস্থান ছিল পঞ্চম।

জনপ্রিয় স্পোর্টস স্ট্যাটিস্টিকস এবং লাইভ স্কোর প্ল্যাটফর্ম সোফাস্কোরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাফিনিয়া বলেন, ‘অন্তত শীর্ষ তিনে থাকব বলে আশা করেছিলাম। তাই ফলাফল দেখে হতাশ হয়েছিলাম। সত্যি বলতে, আমি নিজেকেই প্রথম স্থানে রাখতাম।’

ব্যালন ডি অর নির্ধারণে চ্যাম্পিয়নস লিগের গুরুত্বের কথা স্বীকার করলেও এই পুরস্কার শুধু একটি প্রতিযোগিতার ওপর নির্ভর করা উচিত নয় বলে মনে করেন রাফিনিয়া।

‘ব্যক্তিগত পুরস্কার একটি টুর্নামেন্টের ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। পুরো মৌসুমে যা করেছি, যে ট্রফিগুলো জিতেছি, মাঠে যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছি-সব মিলিয়ে আমি ব্যালন ডি’অরের যোগ্য ছিলাম।’

তবে পুরস্কার না পেলেও নিজের মৌসুম নিয়ে সন্তুষ্ট এই ব্রাজিলিয়ান তারকা, ‘যে মৌসুম কাটিয়েছি, সেটা নিয়ে আমি খুশি। ব্যক্তিগত পুরস্কার আমার কাজকে মুছে দিতে পারবে না।’

গত মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৫৬ ম্যাচে ৩৪ গোল করেন রাফিনিয়া, ছিল ২৫টি অ্যাসিস্ট। তাঁর পারফরম্যান্সে ভর করে লা লিগা, কোপা দেল রে ও স্প্যানিশ সুপারকোপা জেতে কাতালান ক্লাবটি। চ্যাম্পিয়নস লিগে ১৪ ম্যাচে ১৩ গোল ও ৯ অ্যাসিস্ট করলেও শেষ চারেই থামে বার্সেলোনা।

রাফিনিয়া স্বীকার করেন, চ্যাম্পিয়নস লিগ না জেতাটাই ব্যালন ডি’অরের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে, ‘এই পুরস্কারের সঙ্গে এমন অনেক বিষয় জড়িত, যেগুলো আমার নিয়ন্ত্রণে নেই।’

তার মতে, যদি পুরো মৌসুমের ওপর ভিত্তি করে করা হত তাহলে ব্যালন ডি অর তালিকায় রাফিনহা নিজেকে প্রথমে, লামিনে ইয়ামালকে দ্বিতীয়, পেদ্রিকে তৃতীয় এবং দেম্বেলেকে চতুর্থ স্থানে রাখতেন।

দেম্বেলে পিএসজির হয়ে সব প্রতিযোগিতায় ৫৩ ম্যাচে ৩৫ গোল করে দলকে ট্রেবল জেতাতে বড় ভূমিকা রাখেন। ফরাসি লিগ, ফ্রেঞ্চ কাপের পাশাপাশি ক্লাবের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতে পিএসজি। যার কারণে শেষ পর্যন্ত ব্যালন ডি’অর দেম্বেলের হাতেই ওঠে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আমি ব্যালন ডি অর প্রাপ্য ছিলাম: রাফিনিয়া

আপডেট সময় : ০১:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

২০২৫ সালের ব্যালন ডি অর না পেয়ে হতাশার কথা জানিয়েছেন বার্সেলোনার ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া। দুর্দান্ত একটি মৌসুম কাটানোর পরও শীর্ষ তিনে না থাকায় বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে জানান তিনি।

গত সেপ্টেম্বরে প্যারিসে ব্যালন ডি অর অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জেতেন পিএসজির উসমান দেম্বেলে। রাফিনিয়ার সতীর্থ লামিনে ইয়ামালকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। আর রাফিনিয়ার অবস্থান ছিল পঞ্চম।

জনপ্রিয় স্পোর্টস স্ট্যাটিস্টিকস এবং লাইভ স্কোর প্ল্যাটফর্ম সোফাস্কোরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাফিনিয়া বলেন, ‘অন্তত শীর্ষ তিনে থাকব বলে আশা করেছিলাম। তাই ফলাফল দেখে হতাশ হয়েছিলাম। সত্যি বলতে, আমি নিজেকেই প্রথম স্থানে রাখতাম।’

ব্যালন ডি অর নির্ধারণে চ্যাম্পিয়নস লিগের গুরুত্বের কথা স্বীকার করলেও এই পুরস্কার শুধু একটি প্রতিযোগিতার ওপর নির্ভর করা উচিত নয় বলে মনে করেন রাফিনিয়া।

‘ব্যক্তিগত পুরস্কার একটি টুর্নামেন্টের ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। পুরো মৌসুমে যা করেছি, যে ট্রফিগুলো জিতেছি, মাঠে যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছি-সব মিলিয়ে আমি ব্যালন ডি’অরের যোগ্য ছিলাম।’

তবে পুরস্কার না পেলেও নিজের মৌসুম নিয়ে সন্তুষ্ট এই ব্রাজিলিয়ান তারকা, ‘যে মৌসুম কাটিয়েছি, সেটা নিয়ে আমি খুশি। ব্যক্তিগত পুরস্কার আমার কাজকে মুছে দিতে পারবে না।’

গত মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৫৬ ম্যাচে ৩৪ গোল করেন রাফিনিয়া, ছিল ২৫টি অ্যাসিস্ট। তাঁর পারফরম্যান্সে ভর করে লা লিগা, কোপা দেল রে ও স্প্যানিশ সুপারকোপা জেতে কাতালান ক্লাবটি। চ্যাম্পিয়নস লিগে ১৪ ম্যাচে ১৩ গোল ও ৯ অ্যাসিস্ট করলেও শেষ চারেই থামে বার্সেলোনা।

রাফিনিয়া স্বীকার করেন, চ্যাম্পিয়নস লিগ না জেতাটাই ব্যালন ডি’অরের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে, ‘এই পুরস্কারের সঙ্গে এমন অনেক বিষয় জড়িত, যেগুলো আমার নিয়ন্ত্রণে নেই।’

তার মতে, যদি পুরো মৌসুমের ওপর ভিত্তি করে করা হত তাহলে ব্যালন ডি অর তালিকায় রাফিনহা নিজেকে প্রথমে, লামিনে ইয়ামালকে দ্বিতীয়, পেদ্রিকে তৃতীয় এবং দেম্বেলেকে চতুর্থ স্থানে রাখতেন।

দেম্বেলে পিএসজির হয়ে সব প্রতিযোগিতায় ৫৩ ম্যাচে ৩৫ গোল করে দলকে ট্রেবল জেতাতে বড় ভূমিকা রাখেন। ফরাসি লিগ, ফ্রেঞ্চ কাপের পাশাপাশি ক্লাবের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতে পিএসজি। যার কারণে শেষ পর্যন্ত ব্যালন ডি’অর দেম্বেলের হাতেই ওঠে।