ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের ফুটবলারদের অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় ঘিরে নাটকীয়তা

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ৬৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অস্ট্রেলিয়া সফরে আসা ইরান নারী ফুটবল দলের পাঁচ সদস্য রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার পর এক নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আজ অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক পার্লামেন্টে জানিয়েছেন, আশ্রয় চাওয়া এক সদস্য তার সতীর্থদের সঙ্গে কথা বলার পর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিডনি থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা ছিল ইরানের নারী ফুটবল দল। এর ঠিক আগে একজন খেলোয়াড় এবং একজন সাপোর্ট স্টাফ রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন। এর আগে আরও পাঁচজন খেলোয়াড় একইভাবে আবেদন জানিয়েছিলেন।

এএফসি উইমেন’স এশিয়ান কাপে ২ মার্চ দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীত না গেয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন ইরানের ৫ ফুটবলার। তাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবামাধ্যমে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েন তারা। দেশে ফিরলে নিপীড়নের আশঙ্কায় অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় চেয়েছিলেন ইরানের ঐ পাঁচ খেলোয়াড়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানান, সিডনি বিমানবন্দরে প্রতিটি খেলোয়াড়কে দল থেকে আলাদা করে ব্যক্তিগতভাবে ভাবার সময় দেওয়া হয়েছিল। অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, ওই ফুটবলারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনটি সম্পূর্ণ তার নিজস্ব ছিল।

বার্ক পার্লামেন্টে বলেন, ওই সদস্য দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করায় বাকি সদস্যদের অবস্থান জানাজানি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আশ্রয়প্রার্থী বাকি সদস্যদের সেফ হাউস থেকে সরিয়ে অন্য গোপন স্থানে নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি এবং আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, ইরান নারী ফুটবল দলের অবশিষ্ট সদস্যরা আজ সকালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। ইরানের আকাশসীমা বর্তমানে বন্ধ থাকায় বিমান চলাচল স্বাভাবিক হলে তারা তেহরানের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যাওয়া সাতজনের ভবিষ্যৎ এখন অস্ট্রেলিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের ফুটবলারদের অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় ঘিরে নাটকীয়তা

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

অস্ট্রেলিয়া সফরে আসা ইরান নারী ফুটবল দলের পাঁচ সদস্য রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার পর এক নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আজ অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক পার্লামেন্টে জানিয়েছেন, আশ্রয় চাওয়া এক সদস্য তার সতীর্থদের সঙ্গে কথা বলার পর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিডনি থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা ছিল ইরানের নারী ফুটবল দল। এর ঠিক আগে একজন খেলোয়াড় এবং একজন সাপোর্ট স্টাফ রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন। এর আগে আরও পাঁচজন খেলোয়াড় একইভাবে আবেদন জানিয়েছিলেন।

এএফসি উইমেন’স এশিয়ান কাপে ২ মার্চ দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীত না গেয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন ইরানের ৫ ফুটবলার। তাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবামাধ্যমে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েন তারা। দেশে ফিরলে নিপীড়নের আশঙ্কায় অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় চেয়েছিলেন ইরানের ঐ পাঁচ খেলোয়াড়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানান, সিডনি বিমানবন্দরে প্রতিটি খেলোয়াড়কে দল থেকে আলাদা করে ব্যক্তিগতভাবে ভাবার সময় দেওয়া হয়েছিল। অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, ওই ফুটবলারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনটি সম্পূর্ণ তার নিজস্ব ছিল।

বার্ক পার্লামেন্টে বলেন, ওই সদস্য দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করায় বাকি সদস্যদের অবস্থান জানাজানি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আশ্রয়প্রার্থী বাকি সদস্যদের সেফ হাউস থেকে সরিয়ে অন্য গোপন স্থানে নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি এবং আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, ইরান নারী ফুটবল দলের অবশিষ্ট সদস্যরা আজ সকালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। ইরানের আকাশসীমা বর্তমানে বন্ধ থাকায় বিমান চলাচল স্বাভাবিক হলে তারা তেহরানের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যাওয়া সাতজনের ভবিষ্যৎ এখন অস্ট্রেলিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।