ঈদের আগে অস্থির মসলার বাজার
- আপডেট সময় : ১১:৪১:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট ও লালবাগের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানগুলোতে মসলার পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও খুচরা পর্যায়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে অধিকাংশ পণ্য।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে অস্থির হয়ে উঠেছে মসলার বাজার। এক মাসের ব্যবধানে শুধু এলাচের দামই কেজিতে বেড়েছে প্রায় ৩০০ টাকা। শুধু এলাচ নয়; জিরা, লবঙ্গ ও দারুচিনিসহ প্রায় সব ধরনের গরম মসলার দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন সীমিত আয়ের মানুষ।
শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট ও লালবাগের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানগুলোতে মসলার পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও খুচরা পর্যায়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে অধিকাংশ পণ্য। মানভেদে প্রতি কেজি এলাচ এখন ৪ হাজার ৪০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা মাসখানেক আগেও ৩০০ টাকা কম ছিল।
বাজার দর বিশ্লেষণে দেখা যায়, এক মাস আগে ৫০০-৬০০ টাকায় বিক্রি হওয়া জিরা এখন ৫৫০-৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লবঙ্গের দাম কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় ঠেকেছে। এ ছাড়া দারুচিনি ৪৮০-৫৫০ টাকা, গোলমরিচ ১,২০০-১,৩৫০ টাকা, তেজপাতা ১৮০-২২০ টাকা, হলুদ ২৫০-৪০০ টাকা এবং শুকনা মরিচ ৩২০-৪০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
আদার বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকায়। তবে বাজারে কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে পেঁয়াজ ও রসুন। দেশি পেঁয়াজ ৪০-৫০ টাকা এবং আমদানিকৃত রসুন ১৪০-১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুনের দাম আরও কমে ৮০-১০০ টাকার মধ্যে নেমেছে।
সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর তথ্যমতে, এক বছরের ব্যবধানে দারুচিনির দাম ৫ শতাংশ, লবঙ্গ ৩ শতাংশ, এলাচ ৫ শতাংশ এবং আদা ১৩ শতাংশ বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে শুকনা মরিচের দাম—প্রায় ৩৫ শতাংশ। তবে জিরার দাম গত বছরের তুলনায় ৫ শতাংশ কমেছে।
বাজারের এই অস্থিরতা নিয়ে কারওয়ান বাজারে আসা ক্রেতা আনোয়ার চৌধুরী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আগে যে টাকায় মাসের মসলা কেনা যেত, এখন তা দিয়ে এক সপ্তাহও চলে না। ঈদ এলেই সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হয়।’
লালবাগের মসলা ব্যবসায়ী মিরাজ আহমেদ জানান, পাইকারিতে দাম বাড়ায় খুচরায় প্রভাব পড়েছে। তবে বাংলাদেশ পাইকারি গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী এনায়েত উল্লাহর দাবি ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘মসলার বাজার স্থিতিশীল আছে। চোরাচালানের কারণে বৈধ ব্যবসায়ীরা চাপে থাকলেও বাজারে কোনো সংকট নেই।’























‘এক মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে’