ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কারিগরি শিক্ষাই প্রধান চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষাকে আধুনিক, যুগোপযোগী এবং বাজারের চাহিদাভিত্তিক করতে হবে। বুধবার (৪ মার্চ) সকালে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কারিগরি শিক্ষা খাতই হবে প্রধান চালিকাশক্তি। এ লক্ষ্য অর্জনে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) জোরদার করা, শিল্পখাত ও একাডেমিয়ার মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি এবং কারিকুলাম-সিলেবাস আধুনিকায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী কারিগরি শিক্ষার বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনার কথা উল্লেখ করে বলেন, “প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন সূচক ও কেপিআই (KPI) পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে অধ্যয়ন করে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম নেওয়া হবে।” তিনি স্বীকার করেন যে, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ, শিল্পখাত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বয় এবং বাজারমুখী কারিকুলাম প্রণয়নের ক্ষেত্রে কিছু দুর্বলতা রয়েছে, যা দ্রুত দূর করার নির্দেশ দেন তিনি।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী সৃজনশীল ও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে নিজ নিজ বিভাগ, প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নিজেরাই নির্ধারণ করতে হবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে প্রায় ১৮ কোটি জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের বড় দায়িত্ব এই মন্ত্রণালয়ের ওপর ন্যস্ত। এই বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষতায় রূপান্তর করা গেলে তা দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে।

বিশ্ব প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে জনসংখ্যা হ্রাস পেলেও বাংলাদেশ জনসংখ্যার দিক থেকে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এই জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে পারলে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। তিনি কারিগরি, ভোকেশনাল ও পলিটেকনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অতিরিক্ত তাত্ত্বিক শিক্ষার পরিবর্তে ব্যবহারিক ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার জন্য কারিকুলাম ও প্রশিক্ষণব্যবস্থা যথাযথভাবে পর্যালোচনার তাগিদ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কারিগরি শিক্ষাই প্রধান চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:০৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষাকে আধুনিক, যুগোপযোগী এবং বাজারের চাহিদাভিত্তিক করতে হবে। বুধবার (৪ মার্চ) সকালে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কারিগরি শিক্ষা খাতই হবে প্রধান চালিকাশক্তি। এ লক্ষ্য অর্জনে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) জোরদার করা, শিল্পখাত ও একাডেমিয়ার মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি এবং কারিকুলাম-সিলেবাস আধুনিকায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী কারিগরি শিক্ষার বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনার কথা উল্লেখ করে বলেন, “প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন সূচক ও কেপিআই (KPI) পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে অধ্যয়ন করে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম নেওয়া হবে।” তিনি স্বীকার করেন যে, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ, শিল্পখাত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বয় এবং বাজারমুখী কারিকুলাম প্রণয়নের ক্ষেত্রে কিছু দুর্বলতা রয়েছে, যা দ্রুত দূর করার নির্দেশ দেন তিনি।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী সৃজনশীল ও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে নিজ নিজ বিভাগ, প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নিজেরাই নির্ধারণ করতে হবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে প্রায় ১৮ কোটি জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের বড় দায়িত্ব এই মন্ত্রণালয়ের ওপর ন্যস্ত। এই বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষতায় রূপান্তর করা গেলে তা দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে।

বিশ্ব প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে জনসংখ্যা হ্রাস পেলেও বাংলাদেশ জনসংখ্যার দিক থেকে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এই জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে পারলে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। তিনি কারিগরি, ভোকেশনাল ও পলিটেকনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অতিরিক্ত তাত্ত্বিক শিক্ষার পরিবর্তে ব্যবহারিক ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার জন্য কারিকুলাম ও প্রশিক্ষণব্যবস্থা যথাযথভাবে পর্যালোচনার তাগিদ দেন।