ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২ ৭৮ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বেআইনিভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা সত্যেন্দ্র জৈনকে গ্রেফতার করেছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সোমবার (৩০শে মে) সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে খবর প্রকাশ করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

জানা গেছে, সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) ১ দশমিক ৬২ কোটি রুপি পর্যন্ত অর্থ পাচারের অভিযোগে ২০১৭ সালের আগস্টে জৈন ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। সিবিআইয়ের অভিযোগ, জৈন ও তার পরিবারের সদস্যরা শেল ফার্মের মাধ্যমে ২০১১ থেকে ২০১২ সালে ১১ দশমিক ৭৮ কোটি রুপি এবং ২০১৫ থেকে ২০১৬ সালে ৪ দশমিক ৬৩ কোটি রুপি পাচার করেন। অথচ তাদের এ ধরনের কোনো ব্যবসায়িক কোম্পানি ছিল না।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে হাওয়ালা চক্রের মাধ্যমে বেআইনিভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে জৈনর বাড়ি এবং দপ্তরে তল­াশি চালায় ইডি। তার স্ত্রী ইন্দু ও কয়েকজন আত্মীয়ের নামে থাকা চার কোটি ৮১ লাখ রুপির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয় সে সময়। এ ঘটনার সময় কেজরিওয়াল সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকার তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে।

এদিকে, তাকে গ্রেফতারের পর দিলি­র উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া টুইট করে অভিযোগ করেন যে হিমাচল প্রদেশের আসন্ন নির্বাচনের দিকে নজর রেখে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যেখানে জৈন হলেন এএপির ইনচার্জ। এটি পুরোপুরি ভুয়া মামলা বলেও দাবি করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০১:০৯:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২

বেআইনিভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা সত্যেন্দ্র জৈনকে গ্রেফতার করেছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সোমবার (৩০শে মে) সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে খবর প্রকাশ করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

জানা গেছে, সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) ১ দশমিক ৬২ কোটি রুপি পর্যন্ত অর্থ পাচারের অভিযোগে ২০১৭ সালের আগস্টে জৈন ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। সিবিআইয়ের অভিযোগ, জৈন ও তার পরিবারের সদস্যরা শেল ফার্মের মাধ্যমে ২০১১ থেকে ২০১২ সালে ১১ দশমিক ৭৮ কোটি রুপি এবং ২০১৫ থেকে ২০১৬ সালে ৪ দশমিক ৬৩ কোটি রুপি পাচার করেন। অথচ তাদের এ ধরনের কোনো ব্যবসায়িক কোম্পানি ছিল না।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে হাওয়ালা চক্রের মাধ্যমে বেআইনিভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে জৈনর বাড়ি এবং দপ্তরে তল­াশি চালায় ইডি। তার স্ত্রী ইন্দু ও কয়েকজন আত্মীয়ের নামে থাকা চার কোটি ৮১ লাখ রুপির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয় সে সময়। এ ঘটনার সময় কেজরিওয়াল সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকার তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে।

এদিকে, তাকে গ্রেফতারের পর দিলি­র উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া টুইট করে অভিযোগ করেন যে হিমাচল প্রদেশের আসন্ন নির্বাচনের দিকে নজর রেখে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যেখানে জৈন হলেন এএপির ইনচার্জ। এটি পুরোপুরি ভুয়া মামলা বলেও দাবি করেন তিনি।