ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের ৩০ জেলায় ভয়াবহ বড় মানের বন্যার আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:২১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫ ৯৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশে আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে একটি বড় মানের বন্যার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।

সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

বাংলাদেশে বর্ষাকালের প্রকৃত একটি বন্যার আশঙ্কা করা যাচ্ছে উল্লেখ করে মোস্তফা কামাল পলাশ জানান, ২০২০ সালের পরে প্রকৃতপক্ষে দেশব্যাপী বড় কোনো বন্যা হয়নি। ২০২২ সালে সিলেট বিভাগে ও ২০২৪ সালে চট্টগ্রাম বিভাগে যে বন্যা হয়েছিল, তা ছিল ফ্লাশ-ফ্লাড বা পাহাড়ি ঢল। বর্ষাকালের স্বাভাবিক বন্যা বলতে বুঝানো হয় ভারতের গঙ্গা নদী অববাহিকা হয়ে বাংলাদেশের পদ্মা নদীর মধ্যে প্রবেশ করে উপকূলবর্তী জেলাগুলো প্লাবিত হওয়া। একইভাবে তিস্তা- বক্ষণপুত্র-যমুনা নদীর উপকূলবর্তী জেলাগুলোর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়া। আশঙ্কা করা যাচ্ছে, ২০২০ সালের পর ২০২৫ সালে পদ্মা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর তীরবর্তী ২০ থেকে ৩০টি জেলা বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়ার।

তিনি জানান, সম্ভাব্য এই বন্যাটি আগস্ট মাসের ১৫ তারিখের পর থেকে সেপ্টেম্বর মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পদ্মা, যমুনা, তিস্তা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী জেলাগুলোর ওপরে দিয়ে অতিক্রমের আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

এই আবহাওয়াবিদ পোস্টে আরও লিখেন, ‘আমি মনেপ্রাণে চাইবো, আমার পূর্বাভাসটি ভুল প্রমাণ হউক ও বাংলাদেশের মানুষ কোনো বড় মানের বন্যার সম্মুখীন না হউক।’

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশের ৩০ জেলায় ভয়াবহ বড় মানের বন্যার আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৩:২১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশে আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে একটি বড় মানের বন্যার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।

সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

বাংলাদেশে বর্ষাকালের প্রকৃত একটি বন্যার আশঙ্কা করা যাচ্ছে উল্লেখ করে মোস্তফা কামাল পলাশ জানান, ২০২০ সালের পরে প্রকৃতপক্ষে দেশব্যাপী বড় কোনো বন্যা হয়নি। ২০২২ সালে সিলেট বিভাগে ও ২০২৪ সালে চট্টগ্রাম বিভাগে যে বন্যা হয়েছিল, তা ছিল ফ্লাশ-ফ্লাড বা পাহাড়ি ঢল। বর্ষাকালের স্বাভাবিক বন্যা বলতে বুঝানো হয় ভারতের গঙ্গা নদী অববাহিকা হয়ে বাংলাদেশের পদ্মা নদীর মধ্যে প্রবেশ করে উপকূলবর্তী জেলাগুলো প্লাবিত হওয়া। একইভাবে তিস্তা- বক্ষণপুত্র-যমুনা নদীর উপকূলবর্তী জেলাগুলোর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়া। আশঙ্কা করা যাচ্ছে, ২০২০ সালের পর ২০২৫ সালে পদ্মা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর তীরবর্তী ২০ থেকে ৩০টি জেলা বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়ার।

তিনি জানান, সম্ভাব্য এই বন্যাটি আগস্ট মাসের ১৫ তারিখের পর থেকে সেপ্টেম্বর মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পদ্মা, যমুনা, তিস্তা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী জেলাগুলোর ওপরে দিয়ে অতিক্রমের আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

এই আবহাওয়াবিদ পোস্টে আরও লিখেন, ‘আমি মনেপ্রাণে চাইবো, আমার পূর্বাভাসটি ভুল প্রমাণ হউক ও বাংলাদেশের মানুষ কোনো বড় মানের বন্যার সম্মুখীন না হউক।’