ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দ্বিতীয় তেল শোধনাগার তৈরি করা জরুরি: সেনাপ্রধান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

DinajpurTV | ()

বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও আমরা দ্বিতীয় কোনো রিফাইনারি বা তেল শোধনাগার তৈরি করতে পারিনি, যা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া বর্তমান বিশ্বে জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্ব এখন অনেক বেশি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি), কর্তৃক আয়োজিত ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সেনাপ্রধান।

সংসদ সদস্য, সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিসহ মোট ৪৫ জন ফেলো এই কোর্সে অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারী ফেলোরা জানান, কোর্সটি কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি, আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা জোরদার এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ক একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা সুদৃঢ় করা এবং দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান সেনাপ্রধান।

এসময় জ্বালানি সংকট নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশে একটিমাত্র রিফাইনারি (ইস্টার্ন রিফাইনারি) আছে যা চাহিদার মাত্র ১০-১৫ শতাংশ মেটাতে পারে। বাকি জ্বালানি আমাদের পরিশোধিত অবস্থায় আমদানি করতে হয়, যার ফলে খরচ অনেক বেশি পড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দ্বিতীয় তেল শোধনাগার তৈরি করা জরুরি: সেনাপ্রধান

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও আমরা দ্বিতীয় কোনো রিফাইনারি বা তেল শোধনাগার তৈরি করতে পারিনি, যা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া বর্তমান বিশ্বে জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্ব এখন অনেক বেশি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি), কর্তৃক আয়োজিত ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সেনাপ্রধান।

সংসদ সদস্য, সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিসহ মোট ৪৫ জন ফেলো এই কোর্সে অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারী ফেলোরা জানান, কোর্সটি কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি, আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা জোরদার এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ক একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা সুদৃঢ় করা এবং দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান সেনাপ্রধান।

এসময় জ্বালানি সংকট নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশে একটিমাত্র রিফাইনারি (ইস্টার্ন রিফাইনারি) আছে যা চাহিদার মাত্র ১০-১৫ শতাংশ মেটাতে পারে। বাকি জ্বালানি আমাদের পরিশোধিত অবস্থায় আমদানি করতে হয়, যার ফলে খরচ অনেক বেশি পড়ে।