ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে কারণে স্থগিত ও বাতিল ২ এনসিপি নেত্রীর মনোনয়ন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র স্থগিত ও নুসরাত তাবাসসুমের আবেদন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মনিরা শারমিনকে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টার মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ জমার নির্দেশ দিয়েছে ইসি।

বুধবার (২২ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান এ ঘোষণা দেন।

ইসি জানিয়েছে, জামায়াত জোটের ১৩ মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১২ জনকে বৈধ বিবেচিত হয়েছে। তবে স্থগিত করা হয়েছে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র।

নির্ধারিত সময় পার হওয়ার ১৯ মিনিট পর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ছিল গতকাল (মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল) বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

মনিরা শারমিন মনোনয়নপত্রে রিটার্নিং দাখিলের নথিতে সরকারি পে-স্কেলে বেতন উত্তোলনের তথ্য দিয়েছেন। কিন্তু বিস্তারিত তথ্য—কবে, কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন তার তথ্য না থাকায় আজ (বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত বাছাই কার্যক্রম স্থগিত করেন তিনি। মঈন উদ্দীন খান প্রার্থীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনি কাল দুপুর ১২টার মধ্যে কাগজপত্র দাখিল করবেন। এরপর সিদ্ধান্ত দেয়া হবে।’

জানা গেছে, জামায়াত জোটের শরিক এনসিপির এই নেত্রী ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর কৃষি ব্যাংকে চাকরিতে যোগদান করেন। আর ২০২৫ সালে রাজনীতিতে নাম লিখিয়ে চাকরি থেকে ইস্তফা দেন।

গণপ্রতিনিধি আদেশ অনুযায়ী, সরকারি চাকরি থেকে অবসর বা পদত্যাগের তিন বছর সময় পার না হলে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

এক্ষেত্রে জামায়াত জোটের ১৩ জনের মধ্যে মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ার সুযোগ নেই। এতে জামায়াত জোটের জন্য বরাদ্দ ১৩টি আসনের মধ্যে একটি কমে যেতে পারে।

আইন অনুযায়ী, কোনো জোটের জন্য নির্ধারিত আসনের চেয়ে মনোনয়ন কম হলে সেই আসনটি সকল দল বা জোটের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে। ফলে নতুন তফসিলে নির্বাচন হলে বিএনপি জোটের একটি আসন বেড়ে ৩৭টি হতে পারে।

কেননা, এমন নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের সংশ্লিষ্ট পদে নির্বাচিত করবেন। আর এতে বিএনপির ভোট বেশি থাকায় দলটি সেই আসন পেতে পারে বলে মনে করছেন ইসি কর্মকর্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

যে কারণে স্থগিত ও বাতিল ২ এনসিপি নেত্রীর মনোনয়ন

আপডেট সময় : ০৫:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র স্থগিত ও নুসরাত তাবাসসুমের আবেদন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মনিরা শারমিনকে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টার মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ জমার নির্দেশ দিয়েছে ইসি।

বুধবার (২২ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান এ ঘোষণা দেন।

ইসি জানিয়েছে, জামায়াত জোটের ১৩ মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১২ জনকে বৈধ বিবেচিত হয়েছে। তবে স্থগিত করা হয়েছে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র।

নির্ধারিত সময় পার হওয়ার ১৯ মিনিট পর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ছিল গতকাল (মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল) বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

মনিরা শারমিন মনোনয়নপত্রে রিটার্নিং দাখিলের নথিতে সরকারি পে-স্কেলে বেতন উত্তোলনের তথ্য দিয়েছেন। কিন্তু বিস্তারিত তথ্য—কবে, কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন তার তথ্য না থাকায় আজ (বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত বাছাই কার্যক্রম স্থগিত করেন তিনি। মঈন উদ্দীন খান প্রার্থীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনি কাল দুপুর ১২টার মধ্যে কাগজপত্র দাখিল করবেন। এরপর সিদ্ধান্ত দেয়া হবে।’

জানা গেছে, জামায়াত জোটের শরিক এনসিপির এই নেত্রী ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর কৃষি ব্যাংকে চাকরিতে যোগদান করেন। আর ২০২৫ সালে রাজনীতিতে নাম লিখিয়ে চাকরি থেকে ইস্তফা দেন।

গণপ্রতিনিধি আদেশ অনুযায়ী, সরকারি চাকরি থেকে অবসর বা পদত্যাগের তিন বছর সময় পার না হলে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

এক্ষেত্রে জামায়াত জোটের ১৩ জনের মধ্যে মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ার সুযোগ নেই। এতে জামায়াত জোটের জন্য বরাদ্দ ১৩টি আসনের মধ্যে একটি কমে যেতে পারে।

আইন অনুযায়ী, কোনো জোটের জন্য নির্ধারিত আসনের চেয়ে মনোনয়ন কম হলে সেই আসনটি সকল দল বা জোটের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে। ফলে নতুন তফসিলে নির্বাচন হলে বিএনপি জোটের একটি আসন বেড়ে ৩৭টি হতে পারে।

কেননা, এমন নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের সংশ্লিষ্ট পদে নির্বাচিত করবেন। আর এতে বিএনপির ভোট বেশি থাকায় দলটি সেই আসন পেতে পারে বলে মনে করছেন ইসি কর্মকর্তারা।