ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী: নতুন স্মারক নোট আসছে বাজারে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১ ২২৭৯ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: স্বাধীনতার ৫০ বছর উদ্‌যাপন উপলক্ষে তিনটি পৃথক ডিজাইনের কাগুজে ও ধাতব মুদ্রা বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর মধ্যে ৫০ টাকার একটি স্মারক নোট ও একটি প্রচলিত নোট এবং ৫০ টাকা মূল্যমানের রৌপ্য স্মারক মুদ্রা একটি। ২৮ মার্চ থেকে এসব নোট বাজারে ছাড়া হবে। প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে পাওয়া যাবে এসব অপ্রচলিত ও প্রচলিত মুদ্রা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিসংবলিত বর্তমানে প্রচলিত ৫০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোটে বিদ্যমান রং ও নকশা ডিজাইন (সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি এবং পেছন ভাগে ‘মই দেওয়া’ জলরং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন) অপরিবর্তিত রেখে নোটের সম্মুখভাগের ডান দিকে জলছাপ এলাকার কাছে লাল-সবুজ রঙে একটি পৃথক স্মারক লোগো সংযোজন করা হয়েছে। শতভাগ কটন কাগজে মুদ্রিত এবং গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত ৫০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ব্যাংক নোটটিতে ব্যাংক নোটের অন্য সব নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত থাকবে। এই নোট ৫০ টাকা মূল্যমানের অন্য নোটগুলোর মতো দৈনন্দিন লেনদেনেও ব্যবহৃত হবে।

এদিকে ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত এ স্মারক নোটের সম্মুখভাগের বাঁ পাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি এবং নোটের ডান দিকে জলছাপ এলাকার নিকটে স্মারক লোগো মুদ্রিত রয়েছে। নোটের ওপরে মাঝখানে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১’ লেখা রয়েছে। এ ছাড়া নোটের ওপরে ডান কোণে স্মারক নোটের মূল্যমান ইংরেজিতে ‘৫০ ’, নিচে ডান কোণে মূল্যমান বাংলায় ‘৫০’ লেখা রয়েছে। নোটের পেছন ভাগে ‘১৯৭১: মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ছবি মুদ্রিত রয়েছে।

শতভাগ কটন কাগজে মুদ্রিত ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটটির সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির ডানে ২ মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা রয়েছে এবং নোটের ডানদিকে জলছাপ হিসেবে ‘বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি’, ‘৫০’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ মুদ্রিত রয়েছে। ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটটির জন্য পৃথকভাবে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লেখাসংবলিত ফোল্ডার প্রস্তুত করা হয়েছে। ফোল্ডার ছাড়া শুধু খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা এবং ফোল্ডার, খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য ১০০ টাকা।

৫০ টাকা মূল্যমান রৌপ্য স্মারক মুদ্রার ওজন ৩০ গ্রাম। স্মারক মুদ্রাটির সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি (৭ মার্চের ভাষণ), প্রতিকৃতির নিচে মূল্যমান কথায় ও অঙ্কে ‘পঞ্চাশ ৫০ টাকা’ এবং প্রতিকৃতির ওপরে অর্ধবৃত্তাকারভাবে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১’ লেখা রয়েছে। স্মারক মুদ্রার পেছন ভাগে ইংরেজিতে ‘৫০’ এবং ‘ঙ’ এর মাঝখানে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ ও এর নিচে ‘১৯৭১-২০২১’ মুদ্রিত রয়েছে। রৌপ্য স্মারক মুদ্রাটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে স্মারক বাক্সসহ ৪,০০০ টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী: নতুন স্মারক নোট আসছে বাজারে

আপডেট সময় : ০৩:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: স্বাধীনতার ৫০ বছর উদ্‌যাপন উপলক্ষে তিনটি পৃথক ডিজাইনের কাগুজে ও ধাতব মুদ্রা বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর মধ্যে ৫০ টাকার একটি স্মারক নোট ও একটি প্রচলিত নোট এবং ৫০ টাকা মূল্যমানের রৌপ্য স্মারক মুদ্রা একটি। ২৮ মার্চ থেকে এসব নোট বাজারে ছাড়া হবে। প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে পাওয়া যাবে এসব অপ্রচলিত ও প্রচলিত মুদ্রা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিসংবলিত বর্তমানে প্রচলিত ৫০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোটে বিদ্যমান রং ও নকশা ডিজাইন (সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি এবং পেছন ভাগে ‘মই দেওয়া’ জলরং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন) অপরিবর্তিত রেখে নোটের সম্মুখভাগের ডান দিকে জলছাপ এলাকার কাছে লাল-সবুজ রঙে একটি পৃথক স্মারক লোগো সংযোজন করা হয়েছে। শতভাগ কটন কাগজে মুদ্রিত এবং গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত ৫০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ব্যাংক নোটটিতে ব্যাংক নোটের অন্য সব নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত থাকবে। এই নোট ৫০ টাকা মূল্যমানের অন্য নোটগুলোর মতো দৈনন্দিন লেনদেনেও ব্যবহৃত হবে।

এদিকে ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত এ স্মারক নোটের সম্মুখভাগের বাঁ পাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি এবং নোটের ডান দিকে জলছাপ এলাকার নিকটে স্মারক লোগো মুদ্রিত রয়েছে। নোটের ওপরে মাঝখানে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১’ লেখা রয়েছে। এ ছাড়া নোটের ওপরে ডান কোণে স্মারক নোটের মূল্যমান ইংরেজিতে ‘৫০ ’, নিচে ডান কোণে মূল্যমান বাংলায় ‘৫০’ লেখা রয়েছে। নোটের পেছন ভাগে ‘১৯৭১: মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ছবি মুদ্রিত রয়েছে।

শতভাগ কটন কাগজে মুদ্রিত ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটটির সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির ডানে ২ মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা রয়েছে এবং নোটের ডানদিকে জলছাপ হিসেবে ‘বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি’, ‘৫০’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ মুদ্রিত রয়েছে। ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটটির জন্য পৃথকভাবে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লেখাসংবলিত ফোল্ডার প্রস্তুত করা হয়েছে। ফোল্ডার ছাড়া শুধু খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা এবং ফোল্ডার, খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য ১০০ টাকা।

৫০ টাকা মূল্যমান রৌপ্য স্মারক মুদ্রার ওজন ৩০ গ্রাম। স্মারক মুদ্রাটির সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি (৭ মার্চের ভাষণ), প্রতিকৃতির নিচে মূল্যমান কথায় ও অঙ্কে ‘পঞ্চাশ ৫০ টাকা’ এবং প্রতিকৃতির ওপরে অর্ধবৃত্তাকারভাবে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১’ লেখা রয়েছে। স্মারক মুদ্রার পেছন ভাগে ইংরেজিতে ‘৫০’ এবং ‘ঙ’ এর মাঝখানে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ ও এর নিচে ‘১৯৭১-২০২১’ মুদ্রিত রয়েছে। রৌপ্য স্মারক মুদ্রাটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে স্মারক বাক্সসহ ৪,০০০ টাকা।