ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গর্বাচেভের মৃত্যুতে পুতিনের শোক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২ ৫২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতা মিখাইল গর্বাচেভের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ­াদিমির পুতিন। প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বার্তা সংস্থা ইন্টারফেক্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বুধবার তিনি তার পরিবার ও বন্ধুদের কাছে সমবেদনার একটি টেলিগ্রাম পাঠাবেন। মিখাইল গর্বাচেভ গুরুতর অসুস্থ হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে তিনি মারা যান।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেনও তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন। তিনি মিখাইল গর্বাচেভকে বিশ্বস্ত ও সম্মানিত নেতা হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করে বলেন, সাবেক এই নেতা মুক্ত ইউরোপের দরজা খুলে দিয়েছিলেন।

১৯৮৫ সালে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়নের রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব নেন মিখাইল গর্বাচেভ। শীতল যুদ্ধ শান্তিপূর্ণভাবে অবসানে বেশ প্রশংসা কুড়ান তিনি। তবে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত পতন ঠোকানোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ তিনি। এর পেছনে গর্বাচেভের সংস্কারবাদী নীতিকে দায়ী করেন অনেক রাশিয়ান।

স্নায়ুযুদ্ধে বিপর্যস্ত রাষ্ট্রকে গড়তে বহুল আলোচিত ‘পেরেস্ত্রোইকা’ ও ‘গ্লাসনস্ত’ নীতি প্রবর্তন করেন তিনি। প্রায় আট দশকের কমিউনিস্ট শাসনের বেড়াজাল থেকে রাশিয়াকে মুক্ত করেন তিনি। তার হাত ধরেই সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গর্বাচেভের মৃত্যুতে পুতিনের শোক

আপডেট সময় : ০১:০৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২

সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতা মিখাইল গর্বাচেভের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ­াদিমির পুতিন। প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বার্তা সংস্থা ইন্টারফেক্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বুধবার তিনি তার পরিবার ও বন্ধুদের কাছে সমবেদনার একটি টেলিগ্রাম পাঠাবেন। মিখাইল গর্বাচেভ গুরুতর অসুস্থ হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে তিনি মারা যান।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেনও তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন। তিনি মিখাইল গর্বাচেভকে বিশ্বস্ত ও সম্মানিত নেতা হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করে বলেন, সাবেক এই নেতা মুক্ত ইউরোপের দরজা খুলে দিয়েছিলেন।

১৯৮৫ সালে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়নের রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব নেন মিখাইল গর্বাচেভ। শীতল যুদ্ধ শান্তিপূর্ণভাবে অবসানে বেশ প্রশংসা কুড়ান তিনি। তবে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত পতন ঠোকানোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ তিনি। এর পেছনে গর্বাচেভের সংস্কারবাদী নীতিকে দায়ী করেন অনেক রাশিয়ান।

স্নায়ুযুদ্ধে বিপর্যস্ত রাষ্ট্রকে গড়তে বহুল আলোচিত ‘পেরেস্ত্রোইকা’ ও ‘গ্লাসনস্ত’ নীতি প্রবর্তন করেন তিনি। প্রায় আট দশকের কমিউনিস্ট শাসনের বেড়াজাল থেকে রাশিয়াকে মুক্ত করেন তিনি। তার হাত ধরেই সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে।