ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে বিশেষ প্রস্তুতি
- আপডেট সময় : ১১:৫১:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ৫৮ বার পড়া হয়েছে
ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে নেওয়া হয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি। নির্বিঘ্ন পারাপার নিশ্চিত করতে ১৭টি ফেরি ও ২২টি লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি যাত্রীদের নিরাপত্তায় থাকছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নজরদারি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার কয়েক লাখ মানুষ ঢাকা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে যাতায়াত করেন। ঈদ এলে স্বাভাবিকের চেয়ে যানবাহনের পাশাপাশি মানুষের চাপ বেড়ে যায় কয়েকগুণ।
ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে যাতায়াত নিশ্চিত করতে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিটিসি)। লঞ্চ ও স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী ওঠা-নামা বন্ধে কাজ করবে নৌ পুলিশ।
আরিচা বিআইডব্লিউটিসি সহকারী জেনারেল ম্যানেজার আব্দুস সালাম বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে চারটি ঘাটই প্রস্তুত রয়েছে। আশা করছি, ঘরমুখো যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দের সাথেই সঠিক সময়ে আমরা বাড়িতে পৌঁছে দিতে পারব।’
এদিকে পদ্মা সেতু চালুর পরপর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে প্রতিদিন দেড় থেকে দুই হাজার যানবাহন পারাপার হচ্ছে। ঈদে যানবাহনের চাপ বাড়লেও বড় ধরনের ভোগান্তি হবে না বলে আশা করছেন যাত্রী ও চালকেরা।
চালকেরা জানান, ফেরি পারাপারে দেরি হয়ে গেলে কাঁচামাল নিয়ে পড়তে হয় ভোগান্তিতে। একটার জন্য আরেকটা ট্রাকও পেছনে পড়ে যায়।
যাত্রীরা বলছেন, এবার একটি বড় সমস্যা হয়ে উঠতে পারে জ্বালানি তেলের সংকট।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
রাজবাড়ী জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ বলেন, ‘গাড়িগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে পথ ও পার্কিং করে দেওয়ায় মনোযোগ থাকবে বেশি। এবার আলাদা ট্রাফিক ডাইভারশন থাকবে। সঙ্গে থাকবে আলাদা ট্রাফিক সার্জেন্ট। এ ছাড়া টিআই যারা রয়েছেন তারা সেবার জন্য সার্বক্ষণিক তৎপর থাকবেন।’
যাত্রীদের পারাপার নির্বিঘ্ন করতে ঈদের তিন দিন আগে ও পরে পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।





















বিতর্ক ভালো কিন্তু অপপ্রচার-মিথ্যা কখনোই ভালো হতে পারে না: মির্জা ফখরুল