ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বিরতির আলোচনা শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দেয়ার পর বুধবার (১৫ এপ্রিল) দ্বিতীয় দফায় তেলের দাম কমলো। খবর: দ্য ইকোনমিক টাইমস

ধারণা করা হচ্ছে, আলোচনায় অগ্রগতি হলে হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা তেল বাজারে ফিরতে পারে। বুধবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৫২ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ২৭ ডলারে নেমেছে। আগের দিন এই তেলের দাম কমেছিল ৪ দশমিক ৬ শতাংশ।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক শূন্য ৪ ডলার বা ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৯০ দশমিক ২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের দিন যা ৭ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা পুনরায় শুরু হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, আগামী দুই দিনের মধ্যেই এই আলোচনা আবার শুরু হতে পারে এবং তা পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে, মঙ্গলবার লেনদেনে বৈশ্বিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ দশমিক ৫৪ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৬ দশমিক ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯২ দশমিক ৮৫ ডলারে।

সোমবার তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেলেও পরে তা আবার কমে আসে। মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দর অবরোধের নির্দেশ দেওয়ার পর বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। ওই নির্দেশ আসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সপ্তাহান্তের আলোচনা ভেঙে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে।

মঙ্গলবার নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদকের সঙ্গে (যিনি ইসলামাবাদে অবস্থান করছিলেন) টেলিফোনে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, আপনার সেখানেই থাকা উচিত, কারণ আগামী দুই দিনের মধ্যে কিছু ঘটতে পারে। আমরা সেখানেই যেতে বেশি আগ্রহী।

তিনি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল জেনারেল আসিম মুনির-এর প্রশংসা করে বলেন, ২০২৫ সালের পাকিস্তান-ভারত সংঘাতের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তিনি অসাধারণ কাজ করছেন, তাই সেখানে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

তবে এর প্রায় এক ঘণ্টা আগে একই পত্রিকাকে দেওয়া আরেকটি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমার মনে হয় না, আমাদের বৈঠক সেখানে হবে। আমরা সম্ভবত অন্য কোনো স্থানে যাব। আমাদের মাথায় আরেকটি জায়গা আছে। দুটি বক্তব্যের মধ্যে এই পরিবর্তনের কারণ স্পষ্ট নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

আপডেট সময় : ০১:৪৯:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বিরতির আলোচনা শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দেয়ার পর বুধবার (১৫ এপ্রিল) দ্বিতীয় দফায় তেলের দাম কমলো। খবর: দ্য ইকোনমিক টাইমস

ধারণা করা হচ্ছে, আলোচনায় অগ্রগতি হলে হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা তেল বাজারে ফিরতে পারে। বুধবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৫২ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ২৭ ডলারে নেমেছে। আগের দিন এই তেলের দাম কমেছিল ৪ দশমিক ৬ শতাংশ।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক শূন্য ৪ ডলার বা ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৯০ দশমিক ২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের দিন যা ৭ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা পুনরায় শুরু হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, আগামী দুই দিনের মধ্যেই এই আলোচনা আবার শুরু হতে পারে এবং তা পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে, মঙ্গলবার লেনদেনে বৈশ্বিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ দশমিক ৫৪ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৬ দশমিক ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯২ দশমিক ৮৫ ডলারে।

সোমবার তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেলেও পরে তা আবার কমে আসে। মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দর অবরোধের নির্দেশ দেওয়ার পর বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। ওই নির্দেশ আসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সপ্তাহান্তের আলোচনা ভেঙে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে।

মঙ্গলবার নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদকের সঙ্গে (যিনি ইসলামাবাদে অবস্থান করছিলেন) টেলিফোনে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, আপনার সেখানেই থাকা উচিত, কারণ আগামী দুই দিনের মধ্যে কিছু ঘটতে পারে। আমরা সেখানেই যেতে বেশি আগ্রহী।

তিনি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল জেনারেল আসিম মুনির-এর প্রশংসা করে বলেন, ২০২৫ সালের পাকিস্তান-ভারত সংঘাতের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তিনি অসাধারণ কাজ করছেন, তাই সেখানে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

তবে এর প্রায় এক ঘণ্টা আগে একই পত্রিকাকে দেওয়া আরেকটি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমার মনে হয় না, আমাদের বৈঠক সেখানে হবে। আমরা সম্ভবত অন্য কোনো স্থানে যাব। আমাদের মাথায় আরেকটি জায়গা আছে। দুটি বক্তব্যের মধ্যে এই পরিবর্তনের কারণ স্পষ্ট নয়।