ট্রাফিক আইন ভাঙলে অটোনোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানা
- আপডেট সময় : ১১:০০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা মহানগরের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে অটো জেনারেটেড (স্বয়ংক্রিয়) নোটিশ পাঠানো শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধে হাজিরা না দিলে থাকছে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির কার্যক্রমও।
রোববার (৩ মে ) ভারপ্রাপ্ত ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
ডিএমপির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ট্রাফিক বিভাগ এখন থেকে ভিডিও বা স্থিরচিত্র ধারণ করে ‘ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে মালিক বা চালকের ঠিকানায় অটো জেনারেটেড (স্বয়ংক্রিয়) নোটিশ রেজিস্ট্রিকৃত ডাকযোগে পাঠানো শুরু করেছে। মূলত রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। নোটিশ প্রাপ্তির পর নির্দিষ্ট জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে।
নোটিশ পাওয়ার পরেও যদি কোনো মালিক বা চালক সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির না হন, তবে তাদের বিরুদ্ধে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মাধ্যমে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মতো কঠোর আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
ডিএমপি জানায়, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল ও ক্রসিংগুলোতে উন্নত সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি এআই প্রযুক্তির সফটওয়্যার স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে লাল বাতির সিগন্যাল অমান্য করা, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে গাড়ি চালানো, যত্রতত্র যাত্রী উঠিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং লেফট লেন ব্লক করার মতো অপরাধগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে মামলা দেওয়া হচ্ছে।
সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মামলার জরিমানা পরিশোধের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান বা নগদ আর্থিক লেনদেন করা যাবে না।
কোনো অসাধু চক্র এ ধরনের মামলার নাম করে অর্থ দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা বা ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি।





















শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ সংসদ সদস্য