ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলি সরকার পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২ ১০৮ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের সরকার পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। বুধবার সরকার থেকে ইস্তফা দিয়েছেন জোটের হুইপ ইদিত সিলমান। এর ফলে পার্লামেন্ট নেসেটে এখন সরকার ও বিরোধীদের রয়েছে ৬০-৬০টি করে আসন।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের বরাতে ফ্রান্স24 জানিয়েছে, যদি আর একজনও সরকারের পক্ষ ত্যাগ করে তাহলে বিশেষ আইন প্রয়োগ করে পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দিতে পারবে বিরোধীরা। তাহলে এটিই হবে বর্তমান সরকারের ক্ষমতার শেষ।

ইস্তফার পর সিলমান জানান, মূলত স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিতজান হরোউইতজের সঙ্গে বাদানুবাদের জেরেই তিনি সরকার থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেন, আমি এই জোটের জন্য অনেক করেছি। কিন্তু দুঃখজনক হলো এই যে, আমি আর তাদের সঙ্গে কাজ করে যেতে পারছি না।

তার এই সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিরোধী নেতা বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু ইতোমধ্যে সিলমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, তার দল সরকার গঠন করতে পারলে সিলমানকে মন্ত্রীত্ব দেওয়া হবে। ইসরায়েলের বহু মানুষ এই সময়ের জন্য অপেক্ষায় ছিল।

যদিও লেবার দলের আইনপ্রণেতা গিলাদ কারিভের দাবি, বাদানুবাদের কারণে ইস্তফা দেয়া মোটেও আসল কারণ নয়। সিলমান জোট ছেড়েছে কারণ তাকে বিরোধী লিকুদ পার্টির ১০ম পদের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচনে তিনি লিকুদ পার্টির হয়ে লড়বেন এবং জিতলে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদ পাবেন।

এদিকে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিরা সিলমানের এই সিদ্ধান্তের কথা আরও এক সপ্তাহ আগে থেকেই জানতেন। এটি তাদের কাছে তাই কোনো সারপ্রাইজ ছিল না বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম মারিভ।

এই মুহূর্তে নেসেটে সরকার ও বিরোধীদলের সদস্য সংখ্যা সমান সমান। জোটের আরেকজন সদস্য পদত্যাগ করলেই সরকারের পতন হবে এবং দেশটিকে আবার নির্বাচনে যেতে হবে।

এর আগে কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় ইসরায়েলকে পর পর ৩ বার নির্বাচনে যেতে হয়েছিল। অবশেষে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুবিরোধী ডান-বাম ও মধ্যপন্থিদের জোট ১২০ সদস্যের মধ্যে ৬১ জনের সমর্থন নিয়ে সরকার গড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ইসরায়েলি সরকার পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে

আপডেট সময় : ০২:১৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের সরকার পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। বুধবার সরকার থেকে ইস্তফা দিয়েছেন জোটের হুইপ ইদিত সিলমান। এর ফলে পার্লামেন্ট নেসেটে এখন সরকার ও বিরোধীদের রয়েছে ৬০-৬০টি করে আসন।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের বরাতে ফ্রান্স24 জানিয়েছে, যদি আর একজনও সরকারের পক্ষ ত্যাগ করে তাহলে বিশেষ আইন প্রয়োগ করে পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দিতে পারবে বিরোধীরা। তাহলে এটিই হবে বর্তমান সরকারের ক্ষমতার শেষ।

ইস্তফার পর সিলমান জানান, মূলত স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিতজান হরোউইতজের সঙ্গে বাদানুবাদের জেরেই তিনি সরকার থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেন, আমি এই জোটের জন্য অনেক করেছি। কিন্তু দুঃখজনক হলো এই যে, আমি আর তাদের সঙ্গে কাজ করে যেতে পারছি না।

তার এই সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিরোধী নেতা বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু ইতোমধ্যে সিলমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, তার দল সরকার গঠন করতে পারলে সিলমানকে মন্ত্রীত্ব দেওয়া হবে। ইসরায়েলের বহু মানুষ এই সময়ের জন্য অপেক্ষায় ছিল।

যদিও লেবার দলের আইনপ্রণেতা গিলাদ কারিভের দাবি, বাদানুবাদের কারণে ইস্তফা দেয়া মোটেও আসল কারণ নয়। সিলমান জোট ছেড়েছে কারণ তাকে বিরোধী লিকুদ পার্টির ১০ম পদের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচনে তিনি লিকুদ পার্টির হয়ে লড়বেন এবং জিতলে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদ পাবেন।

এদিকে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিরা সিলমানের এই সিদ্ধান্তের কথা আরও এক সপ্তাহ আগে থেকেই জানতেন। এটি তাদের কাছে তাই কোনো সারপ্রাইজ ছিল না বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম মারিভ।

এই মুহূর্তে নেসেটে সরকার ও বিরোধীদলের সদস্য সংখ্যা সমান সমান। জোটের আরেকজন সদস্য পদত্যাগ করলেই সরকারের পতন হবে এবং দেশটিকে আবার নির্বাচনে যেতে হবে।

এর আগে কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় ইসরায়েলকে পর পর ৩ বার নির্বাচনে যেতে হয়েছিল। অবশেষে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুবিরোধী ডান-বাম ও মধ্যপন্থিদের জোট ১২০ সদস্যের মধ্যে ৬১ জনের সমর্থন নিয়ে সরকার গড়ে।