ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেদারল্যান্ডসে মসজিদে হামলা ও ভাঙচুরের পর করা হলো প্রস্রাব!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নেদারল্যান্ডসের রটারডামে মেভলানা মসজিদে হামলা, ভাঙচুর ও অশোভন আচরণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে ছয়জন অজ্ঞাত ব্যক্তি এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা মসজিদের একটি মোজাইক দেয়াল নষ্ট করে, ভবনের দিকে বিয়ারের বোতল ছুড়ে মারে এবং সামনের অংশে প্রস্রাব করে।

এ ঘটনায় এবং পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির ইসলামিক ফাউন্ডেশন নেদারল্যান্ডস (আইএসএন)। শুক্রবার (২৯ মে) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, মসজিদ কর্তৃপক্ষের বারবার ফোন পাওয়া সত্ত্বেও হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে যাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আইএসএনের দাবি, ঘটনাস্থলে যাওয়া পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাটিকে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করার মতো কোনো হুমকি হিসেবেই বিবেচনা করেননি।

বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুসলিম ও মসজিদগুলোর ওপর এমন ক্রমবর্ধমান হামলার কারণে মুসল্লিরা নিজেদের অনিরাপদ বোধ করছেন। সব পরিস্থিতিতেই ইবাদতকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও ভয়ভীতি ছাড়া ধর্ম পালনের অধিকার রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। হামলার পাশাপাশি পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় গুরুতর উদ্বেগ জানিয়ে আইএসএন ইতোমধ্যে এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিক ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করেছে এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধ জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেদারল্যান্ডসে মসজিদে হামলা ও ভাঙচুরের পর করা হলো প্রস্রাব!

আপডেট সময় : ০২:৪৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

নেদারল্যান্ডসের রটারডামে মেভলানা মসজিদে হামলা, ভাঙচুর ও অশোভন আচরণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে ছয়জন অজ্ঞাত ব্যক্তি এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা মসজিদের একটি মোজাইক দেয়াল নষ্ট করে, ভবনের দিকে বিয়ারের বোতল ছুড়ে মারে এবং সামনের অংশে প্রস্রাব করে।

এ ঘটনায় এবং পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির ইসলামিক ফাউন্ডেশন নেদারল্যান্ডস (আইএসএন)। শুক্রবার (২৯ মে) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, মসজিদ কর্তৃপক্ষের বারবার ফোন পাওয়া সত্ত্বেও হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে যাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আইএসএনের দাবি, ঘটনাস্থলে যাওয়া পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাটিকে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করার মতো কোনো হুমকি হিসেবেই বিবেচনা করেননি।

বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুসলিম ও মসজিদগুলোর ওপর এমন ক্রমবর্ধমান হামলার কারণে মুসল্লিরা নিজেদের অনিরাপদ বোধ করছেন। সব পরিস্থিতিতেই ইবাদতকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও ভয়ভীতি ছাড়া ধর্ম পালনের অধিকার রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। হামলার পাশাপাশি পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় গুরুতর উদ্বেগ জানিয়ে আইএসএন ইতোমধ্যে এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিক ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করেছে এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধ জানিয়েছে।