আমাদের আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হয়েছে : মির্জা ফখরুল
- আপডেট সময় : ০৪:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকে বাংলাদেশে একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের পর, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর এই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছি। একটা নির্বাচন হয়েছে, নির্বাচনের জনগণ অংশগ্রহণ করেছে। তার আগে একটা রি-ফর্ম কমিশন হয়েছে। সেই রি-ফর্ম কমিশনের গণভোট হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ মে) দুপুর ১২টায় ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের কালিবাড়ি মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিয়মকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আপনারা জানেন এই সরকার দায়িত্ব নিয়েছে একটা ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে। ব্যাংকগুলো খালি করে দিয়েছে। ব্যাংকে সবকিছু লুটপাট করে ৮০ লাখ কোটি টাকা লুট করে নিয়ে গেছে এই আওয়ামী লীগ, তাদের মন্ত্রীরা। আমাদের আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হয়েছে। সুতরাং আপনাদের কাছে আমার একটা প্রত্যাশা করি। আগামী তিন মাসে আমরা উন্নয়ন করার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনগুলোতে যদি সহযোগিতা করে যান তাহলে আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব, সাংবাদিকদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।
মন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্যের অভাব রয়েছে বলেই অনেকেই ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী ন্যায্য বেতন পান না।’
বিভক্ত না হয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশে নতুন একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশ ও মানুষের পক্ষে কাজ করতে হবে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সাংবাদিকতা অত্যন্ত কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং পেশা। এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে সাংবাদিকরা নির্যাতনের শিকার হননি। সাগর-রুনি হত্যা মামলার রহস্য আজও উদঘাটন হয়নি।’
সাংবাদিকতাকে কখনো ছোট করে দেখার সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে বিশাল ভূমিকা রয়েছে। তবে দায়িত্বহীন সাংবাদিকতা দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘সংবাদ প্রকাশের আগে অবশ্যই অভিযুক্ত বা বিপরীত পক্ষের বক্তব্য নেয়া উচিত। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে।’
সভায় ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু, সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল লতিফসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম শরীফসহ অন্যান্য নেতারা।





















হাম ও উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু