ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
- আপডেট সময় : ১০:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫৪ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১০টার দিকে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক।
এরআগে ভোরে আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১, যা ‘মৃদু’ শ্রেণির ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত।
এর কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়। ভূমিকম্পটির ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২২ দশমিক ৮৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.০১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
অন্যদিকে মিয়ানমারের মাগওয়ে অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় (ইয়াঙ্গুন) সময় রাত ১০টা ৪ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার এই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মাগওয়ে অঞ্চলের ইয়েনাঙ্গইয়াং শহর থেকে প্রায় ৯৫ কিলোমিটার পশ্চিমে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল আনুমানিক ৬৩ কিলোমিটার, যা তুলনামূলকভাবে গভীর হওয়ায় এর প্রভাব বিস্তৃত এলাকায় অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পের কম্পন শুধু মিয়ানমারেই সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রতিবেশী বাংলাদেশ এবং ভারতের পূর্বাঞ্চলেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় ভূকম্পন টের পাওয়ার কথা উঠে এসেছে স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে। ভারত ছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষত দক্ষিণ-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন অনেকে।
এ পর্যন্ত ভূমিকম্পে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। মিয়ানমার ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এ ধরনের কম্পন সেখানে প্রায়ই ঘটে থাকে।






















