ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাত্র ১৩ বছর বয়সে স্নাতক!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২২ ৮৯ বার পড়া হয়েছে

মাত্র ১৩ বছর বয়সে স্নাতক!

বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছেলেটি মাত্র ১৩ বছর বয়সে অর্জন করেছে স্নাতক ডিগ্রি। তাও আবার যেমন তেমন বিষয়ে নয়, একেবারে পদার্থ এবং গণিতের মতো বিষয়ে। এমনকি শিশুটি এখন পিএইচডি ডিগ্রি নেওয়ার পরিকল্পনাও করছে। শিশুটির নাম এলিয়ট ট্যানার। তার বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য পশ্চিমাঞ্চলের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের সেইন্ট লুইস পার্ক শহরে।

ইউপিআই এর খবরে বলা হয়েছে, আগামী মে মাসে ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্নাতক ডিগ্রি পাচ্ছে এলিয়ট।

মিশেল ট্যানার জানান, ৯ বছর বয়সে এলিয়ট কলেজ পর্যায়ের বই পড়তে শুরু করে। দুই বছরের মধ্যে সে কলেজ ডিগ্রি শেষ করে। নরমানডেল কমিউনিটি কলেজে এলিয়টের পড়ার বিষয় ছিল বিজ্ঞান। এলিয়েট বলেন, ‘আমার জীবনে এটা ভীষণ ভালো একটি অভিজ্ঞতা। এখন স্নাতক শেষ হয়েছে। তবে এখানেই পড়ার পাট চুকে যাবে না। পরবর্তীতে আমি পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে চাই।’

শৈশব থেকে পড়াশোনার প্রতি ভীষণ আগ্রহ এলিয়টের। তার মা মিশেল ট্যানার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘ছোট্টবেলায় এলিয়টের বয়সী বেশির ভাগ শিশু যখন জুতার ফিতা বাঁধা শিখছিল, তখনই সে পুরো বই পড়তে পারত। মাত্র দুই বছর বয়সে সে পড়তে শুরু করে। আমরা তাকে তখন পড়তে বসতে বিলিনি। নিজের আগ্রহেই এলিয়ট পড়াশোনা শুরু করে।’

পিএইচডির পর কী করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে এলিয়ট সংবাদমাধ্যমকে বলে, ‘আমি শিক্ষক হতে চাই। একসময় ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটায় পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে নিজেকে দেখতে চাই। পদার্থবিজ্ঞান আমার সবচেয়ে পছন্দের বিষয়।’

নিউজটি শেয়ার করুন

মাত্র ১৩ বছর বয়সে স্নাতক!

আপডেট সময় : ০৪:৩১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২২

ছেলেটি মাত্র ১৩ বছর বয়সে অর্জন করেছে স্নাতক ডিগ্রি। তাও আবার যেমন তেমন বিষয়ে নয়, একেবারে পদার্থ এবং গণিতের মতো বিষয়ে। এমনকি শিশুটি এখন পিএইচডি ডিগ্রি নেওয়ার পরিকল্পনাও করছে। শিশুটির নাম এলিয়ট ট্যানার। তার বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য পশ্চিমাঞ্চলের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের সেইন্ট লুইস পার্ক শহরে।

ইউপিআই এর খবরে বলা হয়েছে, আগামী মে মাসে ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্নাতক ডিগ্রি পাচ্ছে এলিয়ট।

মিশেল ট্যানার জানান, ৯ বছর বয়সে এলিয়ট কলেজ পর্যায়ের বই পড়তে শুরু করে। দুই বছরের মধ্যে সে কলেজ ডিগ্রি শেষ করে। নরমানডেল কমিউনিটি কলেজে এলিয়টের পড়ার বিষয় ছিল বিজ্ঞান। এলিয়েট বলেন, ‘আমার জীবনে এটা ভীষণ ভালো একটি অভিজ্ঞতা। এখন স্নাতক শেষ হয়েছে। তবে এখানেই পড়ার পাট চুকে যাবে না। পরবর্তীতে আমি পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে চাই।’

শৈশব থেকে পড়াশোনার প্রতি ভীষণ আগ্রহ এলিয়টের। তার মা মিশেল ট্যানার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘ছোট্টবেলায় এলিয়টের বয়সী বেশির ভাগ শিশু যখন জুতার ফিতা বাঁধা শিখছিল, তখনই সে পুরো বই পড়তে পারত। মাত্র দুই বছর বয়সে সে পড়তে শুরু করে। আমরা তাকে তখন পড়তে বসতে বিলিনি। নিজের আগ্রহেই এলিয়ট পড়াশোনা শুরু করে।’

পিএইচডির পর কী করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে এলিয়ট সংবাদমাধ্যমকে বলে, ‘আমি শিক্ষক হতে চাই। একসময় ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটায় পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে নিজেকে দেখতে চাই। পদার্থবিজ্ঞান আমার সবচেয়ে পছন্দের বিষয়।’