ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাত ফুট জোয়ারে প্লাবিত ভোলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অক্টোবর ২০২২ ৪১ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভোলায়। এরই মধ্য ঢালচরসহ বেশকিছু এলাকা জোয়ারের পাঁচ থেকে সাত ফুট পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় জেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৭৪৬টি আশ্রয় কেন্দ্র। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে নোয়াখালীর উপজেলা- সুবর্ণচর, হাতিয়া ও কোম্পানিগঞ্জের ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। জেলার বেশিরভাগ এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। প্রস্তুত রাখা আশ্রয় কেন্দ্রে এখনো মানুষ আসা শুরু করেনি। দূর্যোগ মোকাবিলায় মাঠে রয়েছে বিভিন্ন সংগঠনের ১৩ হাজার ৬ শত জন স্বেচ্ছাসেবক। জেলার ৭০টি ইউনিয়নে ও ৭টি উপজেলায় গঠন করা হয়েছে একটি করে মেডিকেল টিম। খোলা হয়েছে ৮টি কন্ট্রোল রুম। একইসাথে ১ হাজার ৩ শত ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনার প্রস্তুতি চলছে।

দুর্যোগকালে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া মানুষ ও শিশুদের জন্য শুকনো খাবারের প্যাকেট প্রস্তুত করা হচ্ছে। জেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩০০ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রয়েছে। এগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো ইতোমধ্যে মেরামত করা হয়েছে। তারপরও শঙ্কা রয়েছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে নোয়াখালীর উপজেলা- সুবর্ণচর, হাতিয়া ও কোম্পানিগঞ্জের ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ সব এলাকার কৃষিজমি ডুবে গেছে। দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাত ফুট জোয়ারে প্লাবিত ভোলা

আপডেট সময় : ০১:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অক্টোবর ২০২২

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভোলায়। এরই মধ্য ঢালচরসহ বেশকিছু এলাকা জোয়ারের পাঁচ থেকে সাত ফুট পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় জেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৭৪৬টি আশ্রয় কেন্দ্র। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে নোয়াখালীর উপজেলা- সুবর্ণচর, হাতিয়া ও কোম্পানিগঞ্জের ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। জেলার বেশিরভাগ এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। প্রস্তুত রাখা আশ্রয় কেন্দ্রে এখনো মানুষ আসা শুরু করেনি। দূর্যোগ মোকাবিলায় মাঠে রয়েছে বিভিন্ন সংগঠনের ১৩ হাজার ৬ শত জন স্বেচ্ছাসেবক। জেলার ৭০টি ইউনিয়নে ও ৭টি উপজেলায় গঠন করা হয়েছে একটি করে মেডিকেল টিম। খোলা হয়েছে ৮টি কন্ট্রোল রুম। একইসাথে ১ হাজার ৩ শত ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনার প্রস্তুতি চলছে।

দুর্যোগকালে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া মানুষ ও শিশুদের জন্য শুকনো খাবারের প্যাকেট প্রস্তুত করা হচ্ছে। জেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩০০ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রয়েছে। এগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো ইতোমধ্যে মেরামত করা হয়েছে। তারপরও শঙ্কা রয়েছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে নোয়াখালীর উপজেলা- সুবর্ণচর, হাতিয়া ও কোম্পানিগঞ্জের ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ সব এলাকার কৃষিজমি ডুবে গেছে। দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ।