ঢাকা ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামাসের পক্ষ নিচ্ছে যুক্তরাজ্য–কানাডা, অভিযোগ নেতানিয়াহুর

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৫৮:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫ ৫৮ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও অন্য নেতারা গাজার সশস্ত্রগোষ্ঠী হামাসের পক্ষ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরায়েলি দূতাবাসের কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায় এক্সে এক ভিডিওতে এ অভিযোগ করেন তিনি।

সম্প্রতি গাজা উপত্যকায় নতুন করে শুরু করা হামলা বন্ধের আহ্বান জানায় যুক্তরাজ্য–কানাডাসহ কয়েকটি দেশ। হুমকিও দেওয়া হয় নিষেধাজ্ঞার। এর মধ্যেই ওয়াশিংটনে গুলি করে হত্যা করা ইসরায়েলি দুই দূতাবাসকর্মীকে। এর প্রতিক্রিয়ায় ভিডিও বার্তা দেন নেতানিয়াহু।

বিবিসি লিখেছে,নেতানিয়াহু বলেছেন, স্যার কিয়ার স্টারমার এবং অন্য নেতারা ‘কার্যকরভাবে বলেছেন, তারা হামাসকে ক্ষমতায় রাখতে চান’। তিনি ব্রিটিশ, ফরাসি এবং কানাডিয়ান নেতাদের ‘গণহত্যাকারী, ধর্ষক, শিশুহত্যাকারী এবং অপহরণকারীদের’ পক্ষ নেওয়ার অভিযোগও করেছেন।

ভিডিওতে নেতানিয়াহু বলেন, স্যার কিয়ার, ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং মার্ক কার্নি চান ইসরায়েল ‘ফিরে আসুক এবং মেনে নিক যে, হামাসের গণহত্যাকারী বাহিনী টিকে থাকবে’।

ডাউনিং স্ট্রিট নেতানিয়াহুর মন্তব্যের ওপর সরাসরি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে এক্সে ওয়াশিংটন হামলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কিয়ারের আগের নিন্দার দিকে ইঙ্গিত করেছে। ওই পোস্টে কিয়ার স্টারমার ইহুদি-বিদ্বেষকে অবশ্যই নির্মূল করতে হবে বলে মন্তব্য করেন।

প্রতিবেদন বলছে, সোমবার যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং কানাডা গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান এবং বেসামরিক নাগরিকদের মানবিক সহায়তা প্রদানে অস্বীকৃতির নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে হামলা বন্ধ না করলে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

নেতানিয়াহু বলেন, হামাস ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে এবং ইহুদি জনগণকে নির্মূল করতে চায়। আমি কখনোই বুঝতে পারিনি যে, এই সহজ সত্যটি কীভাবে ফ্রান্স, ব্রিটেন, কানাডা এবং অন্যান্য দেশের নেতারা এড়িয়ে যান।

তিনি বলেন, ‘আমি ম্যাক্রোঁ, প্রধানমন্ত্রী কার্নি এবং প্রধানমন্ত্রী স্টারমারকে বলছি, যখন গণহত্যাকারী, ধর্ষক, শিশু হত্যাকারী এবং অপহরণকারীরা আপনাকে ধন্যবাদ জানায়, তখন আপনি ন্যায়বিচারের ভুল দিকে আছেন। আপনারা মানবতার ভুল দিকে আছেন এবং ইতিহাসের ভুল দিকে আছেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

হামাসের পক্ষ নিচ্ছে যুক্তরাজ্য–কানাডা, অভিযোগ নেতানিয়াহুর

আপডেট সময় : ০১:৫৮:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও অন্য নেতারা গাজার সশস্ত্রগোষ্ঠী হামাসের পক্ষ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরায়েলি দূতাবাসের কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায় এক্সে এক ভিডিওতে এ অভিযোগ করেন তিনি।

সম্প্রতি গাজা উপত্যকায় নতুন করে শুরু করা হামলা বন্ধের আহ্বান জানায় যুক্তরাজ্য–কানাডাসহ কয়েকটি দেশ। হুমকিও দেওয়া হয় নিষেধাজ্ঞার। এর মধ্যেই ওয়াশিংটনে গুলি করে হত্যা করা ইসরায়েলি দুই দূতাবাসকর্মীকে। এর প্রতিক্রিয়ায় ভিডিও বার্তা দেন নেতানিয়াহু।

বিবিসি লিখেছে,নেতানিয়াহু বলেছেন, স্যার কিয়ার স্টারমার এবং অন্য নেতারা ‘কার্যকরভাবে বলেছেন, তারা হামাসকে ক্ষমতায় রাখতে চান’। তিনি ব্রিটিশ, ফরাসি এবং কানাডিয়ান নেতাদের ‘গণহত্যাকারী, ধর্ষক, শিশুহত্যাকারী এবং অপহরণকারীদের’ পক্ষ নেওয়ার অভিযোগও করেছেন।

ভিডিওতে নেতানিয়াহু বলেন, স্যার কিয়ার, ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং মার্ক কার্নি চান ইসরায়েল ‘ফিরে আসুক এবং মেনে নিক যে, হামাসের গণহত্যাকারী বাহিনী টিকে থাকবে’।

ডাউনিং স্ট্রিট নেতানিয়াহুর মন্তব্যের ওপর সরাসরি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে এক্সে ওয়াশিংটন হামলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কিয়ারের আগের নিন্দার দিকে ইঙ্গিত করেছে। ওই পোস্টে কিয়ার স্টারমার ইহুদি-বিদ্বেষকে অবশ্যই নির্মূল করতে হবে বলে মন্তব্য করেন।

প্রতিবেদন বলছে, সোমবার যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং কানাডা গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান এবং বেসামরিক নাগরিকদের মানবিক সহায়তা প্রদানে অস্বীকৃতির নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে হামলা বন্ধ না করলে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

নেতানিয়াহু বলেন, হামাস ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে এবং ইহুদি জনগণকে নির্মূল করতে চায়। আমি কখনোই বুঝতে পারিনি যে, এই সহজ সত্যটি কীভাবে ফ্রান্স, ব্রিটেন, কানাডা এবং অন্যান্য দেশের নেতারা এড়িয়ে যান।

তিনি বলেন, ‘আমি ম্যাক্রোঁ, প্রধানমন্ত্রী কার্নি এবং প্রধানমন্ত্রী স্টারমারকে বলছি, যখন গণহত্যাকারী, ধর্ষক, শিশু হত্যাকারী এবং অপহরণকারীরা আপনাকে ধন্যবাদ জানায়, তখন আপনি ন্যায়বিচারের ভুল দিকে আছেন। আপনারা মানবতার ভুল দিকে আছেন এবং ইতিহাসের ভুল দিকে আছেন।’