ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের বিমানকে নিজেদের ঘাঁটিতে জায়গা দিয়েছিল পাকিস্তান!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলা থেকে রক্ষা করতে ইরান তাদের সামরিক বিমান ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে অবস্থিত নূর খান বিমানঘাঁটিতে সরিয়ে নিয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরান তাদের বিমানবাহিনীর আরসি-১৩০ নজরদারি বিমান এবং লকহিডের তৈরি সি-১৩০ মডেলের বিমানগুলো এই ঘাঁটিতে পার্কিংয়ের জন্য নিয়ে আসে। এছাড়া প্রতিবেশী আফগানিস্তানেও ইরানের বেশ কিছু বেসামরিক বিমান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে, যদিও সেখানে সামরিক সরঞ্জাম নেওয়া হয়েছিল কি না তা স্পষ্ট নয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, একদিকে পাকিস্তান যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা চালাচ্ছিল, ঠিক একই সময়ে তারা ইরানের সামরিক সক্ষমতা রক্ষায় এই কৌশলগত সহায়তা প্রদান করে। যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, গত এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তবে পাকিস্তান এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। দেশটির একজন কর্মকর্তার মতে, নূর খান বিমানঘাঁটি অত্যন্ত জনবহুল এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় সেখানে অস্বাভাবিক সংখ্যক বিমান পার্ক করে রাখা সম্ভব নয় এবং তেমনটি হলে তা সাধারণ মানুষের নজরে আসত।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের বিমানকে নিজেদের ঘাঁটিতে জায়গা দিয়েছিল পাকিস্তান!

আপডেট সময় : ০২:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলা থেকে রক্ষা করতে ইরান তাদের সামরিক বিমান ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে অবস্থিত নূর খান বিমানঘাঁটিতে সরিয়ে নিয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরান তাদের বিমানবাহিনীর আরসি-১৩০ নজরদারি বিমান এবং লকহিডের তৈরি সি-১৩০ মডেলের বিমানগুলো এই ঘাঁটিতে পার্কিংয়ের জন্য নিয়ে আসে। এছাড়া প্রতিবেশী আফগানিস্তানেও ইরানের বেশ কিছু বেসামরিক বিমান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে, যদিও সেখানে সামরিক সরঞ্জাম নেওয়া হয়েছিল কি না তা স্পষ্ট নয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, একদিকে পাকিস্তান যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা চালাচ্ছিল, ঠিক একই সময়ে তারা ইরানের সামরিক সক্ষমতা রক্ষায় এই কৌশলগত সহায়তা প্রদান করে। যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, গত এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তবে পাকিস্তান এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। দেশটির একজন কর্মকর্তার মতে, নূর খান বিমানঘাঁটি অত্যন্ত জনবহুল এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় সেখানে অস্বাভাবিক সংখ্যক বিমান পার্ক করে রাখা সম্ভব নয় এবং তেমনটি হলে তা সাধারণ মানুষের নজরে আসত।