ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক খোদা, এক নেতা, এক জাতিই হলো ইরানের বিজয়ের পথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২৩:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কায়ানি বলেছেন, ইরানি জনগণের রাজপথের ইস্পাতকঠিন ঐক্য এবং রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের মধ্যকার নিবিড় সংহতিই মার্কিন-ইসরায়েলি শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ফ্রন্ট-এর প্রধান শক্তি।

তিনি এই ঐক্যকে পবিত্র যুদ্ধে লিপ্ত সীমান্তহীন যোদ্ধাদের জন্য সবচেয়ে বড় সমর্থন হিসেবে অভিহিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক বার্তায় জেনারেল কায়ানি বলেন, মার্কিন-জায়নবাদী শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রতিরোধ ফ্রন্ট এবং সীমান্তহীন যোদ্ধাদের প্রধান শক্তি হলো রাজপথের ঐক্য এবং কর্মকর্তাদের সংহতি।

ইরানের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দেওয়া একগুচ্ছ বিবৃতির রেশ ধরে কায়ানি জোর দিয়ে বলেন, যারা বলেন আমরা সবাই ইরানি ও বিপ্লবী, তারা জাতি ও রাষ্ট্রের এই অটুট ঐক্য এবং সর্বোচ্চ নেতার প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের মাধ্যমে অপরাধী আগ্রাসনকারীদের অনুশোচনা করতে বাধ্য করবেন। আমাদের লক্ষ্য-এক খোদা, এক নেতা, এক জাতি এবং এক পথ; আর এটিই ইরানের বিজয়ের পথ।

জেনারেল কায়ানির এই বিবৃতিটি মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের একটি সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া। ট্রাম্প ইরানের ভেতরে চরমপন্থী ও নরমপন্থী বিভাজনের যে দাবি করেছিলেন, তাকে উসকানিমূলক আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবাফ এবং বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন মোহসেনি এজেয়ি। তারা সবাই একযোগে জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়েছেন।

এর আগে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা হোসেইনি খামেনি জাতির এই অভূতপূর্ব ঐক্যের প্রশংসা করে বলেন, জনগণের এই সংহতি শত্রুর শিবিরে ফাটল ধরিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানিদের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান শত্রুর সমস্ত হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের এই জাতীয় সংহতি জায়নবাদী ও মার্কিন মিত্রদের সমস্ত ষড়যন্ত্র-তা সে গুপ্তহত্যা হোক, অবৈধ নিষেধাজ্ঞা হোক কিংবা মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ-সবকিছুকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। এই ঐক্যই মূলত মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের আত্মনির্ভরশীলতা এবং আঞ্চলিক প্রভাবের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। সূত্র: প্রেস টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

এক খোদা, এক নেতা, এক জাতিই হলো ইরানের বিজয়ের পথ

আপডেট সময় : ০১:২৩:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কায়ানি বলেছেন, ইরানি জনগণের রাজপথের ইস্পাতকঠিন ঐক্য এবং রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের মধ্যকার নিবিড় সংহতিই মার্কিন-ইসরায়েলি শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ফ্রন্ট-এর প্রধান শক্তি।

তিনি এই ঐক্যকে পবিত্র যুদ্ধে লিপ্ত সীমান্তহীন যোদ্ধাদের জন্য সবচেয়ে বড় সমর্থন হিসেবে অভিহিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক বার্তায় জেনারেল কায়ানি বলেন, মার্কিন-জায়নবাদী শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রতিরোধ ফ্রন্ট এবং সীমান্তহীন যোদ্ধাদের প্রধান শক্তি হলো রাজপথের ঐক্য এবং কর্মকর্তাদের সংহতি।

ইরানের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দেওয়া একগুচ্ছ বিবৃতির রেশ ধরে কায়ানি জোর দিয়ে বলেন, যারা বলেন আমরা সবাই ইরানি ও বিপ্লবী, তারা জাতি ও রাষ্ট্রের এই অটুট ঐক্য এবং সর্বোচ্চ নেতার প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের মাধ্যমে অপরাধী আগ্রাসনকারীদের অনুশোচনা করতে বাধ্য করবেন। আমাদের লক্ষ্য-এক খোদা, এক নেতা, এক জাতি এবং এক পথ; আর এটিই ইরানের বিজয়ের পথ।

জেনারেল কায়ানির এই বিবৃতিটি মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের একটি সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া। ট্রাম্প ইরানের ভেতরে চরমপন্থী ও নরমপন্থী বিভাজনের যে দাবি করেছিলেন, তাকে উসকানিমূলক আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবাফ এবং বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন মোহসেনি এজেয়ি। তারা সবাই একযোগে জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়েছেন।

এর আগে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা হোসেইনি খামেনি জাতির এই অভূতপূর্ব ঐক্যের প্রশংসা করে বলেন, জনগণের এই সংহতি শত্রুর শিবিরে ফাটল ধরিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানিদের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান শত্রুর সমস্ত হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের এই জাতীয় সংহতি জায়নবাদী ও মার্কিন মিত্রদের সমস্ত ষড়যন্ত্র-তা সে গুপ্তহত্যা হোক, অবৈধ নিষেধাজ্ঞা হোক কিংবা মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ-সবকিছুকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। এই ঐক্যই মূলত মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের আত্মনির্ভরশীলতা এবং আঞ্চলিক প্রভাবের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। সূত্র: প্রেস টিভি