তাইওয়ানের জলসীমায় ‘বিশেষ অভিযান’ চীনের
- আপডেট সময় : ০২:৪৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
জাপান ও ফিলিপাইনের মধ্যে তাইওয়ানের পূর্বদিকে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনার পর তাইওয়ানের পূর্বাঞ্চলীয় জলসীমায় একটি ‘বিশেষ অভিযান’ পরিচালনা করেছে চীন। শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
গত মাসে টোকিও ও ম্যানিলা ঘোষণা দেয় যে, তাদের মধ্যকার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও মহীসোপানের সমুদ্রসীমা নির্ধারণে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করবে। এ ঘোষণা বেইজিংয়ের তীব্র অসন্তোষের মুখে পড়ে।
তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা চীন জাপান ও ফিলিপাইনের এই আলোচনাকে ‘অবৈধ’ বলে আখ্যা দেয়। একই সঙ্গে ওই জলসীমার ওপর নিজেদের একক কর্তৃত্বের দাবিও পুনর্ব্যক্ত করে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার খবরে বলা হয়, শনিবার চীনের পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ফুজিয়ান ও গুয়াংডং উপকূলীয় প্রদেশের সামুদ্রিক পুলিশ বাহিনী তাইওয়ান দ্বীপের পূর্বাঞ্চলীয় জলসীমায় একটি ‘বিশেষ সামুদ্রিক ট্রাফিক আইন প্রয়োগ অভিযান’ পরিচালনা করে।
তবে অভিযানের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। কতক্ষণ অভিযান চলেছে, এটি এখনও অব্যাহত আছে কি না, কিংবা ওই এলাকায় সামুদ্রিক পুলিশ জাহাজ মোতায়েন করা হয়েছিল কি নাÑএসব বিষয়েও কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
সিনহুয়া বলেছে, তাইওয়ানের নিকটবর্তী এলাকায় জাপান ও ফিলিপাইনের একতরফাভাবে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ সংক্রান্ত আলোচনা শুরুর ঘোষণার প্রেক্ষিতে চীনের এই অভিযান ছিল ‘প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ’।
তাইওয়ান বুধবার জানিয়েছে যে, জাপান-ফিলিপাইনের এই আলোচনায় তাদেরও সম্পৃক্ত করা উচিত।
চীনের সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত দাবিকে ঘিরে দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ম্যানিলা ও টোকিওর মধ্যে সহযোগিতা আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে।
পূর্ব চীন সাগরে জাপান ও চীনের মধ্যে ভূখ- ও অর্থনৈতিক স্বার্থ নিয়ে বিরোধ রয়েছে। সেখানে দু’দেশের কোস্টগার্ড জাহাজ প্রায়ই মুখোমুখি অবস্থানে থাকে, যা উত্তেজনা বাড়ায়।
অন্যদিকে, দক্ষিণ চীন সাগরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রবালপ্রাচীর ও দ্বীপগুলোতে ফিলিপাইনের প্রবেশ ঠেকাতে চীন নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের জাহাজ মোতায়েন করেছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে একাধিকবার উত্তেজনাপূর্ণ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
























বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হলেন তামিম ইকবাল