রামিসা হত্যা: পাওয়া গেল সেই ডলারের পরিচয়
- আপডেট সময় : ১২:৫৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর পল্লবীর ৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে ‘ডলার’ নামের এক ব্যক্তির কথা বলার পর নতুন এই নামটি ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ পর্যন্ত তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ কিংবা ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণে ডলার নামের ওই ব্যক্তির সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, ডলারের বাড়ি পল্লবী এলাকাতেই। যে ভাড়া বাসায় শিশু রামিসার ওপর নির্যাতন চালিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে, সেই বাড়ি থেকে কয়েকটি বাড়ি পরেই তার বসবাস।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ডলার মাদকাসক্ত এবং পেশায় অটোরিকশাচালক। একই এলাকায় রিকশার গ্যারেজ মেকানিক হিসেবে কাজ করতেন আসামি সোহেল রানা। সে সূত্রে তাদের মধ্যে পূর্বপরিচয় ছিল এবং গ্যারেজে ডলারের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। ডলার ব্যক্তিগতভাবে ধনী না হলেও তাদের পরিবার অবস্থাসম্পন্ন। তাদের একটি বাড়ি রয়েছে। নেশার খরচ জোগাতেই তিনি অটোরিকশা চালান। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে ডলার সবার ছোট।
ডলারের বড় ভাই সেলিম রায়হান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রায় ১৯ বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে ডলারের কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি নিজের মতো চলাফেরা করেন এবং মাদকাসক্ত হওয়ার কারণে পরিবারের সদস্যরাও তাকে এড়িয়ে চলেন। তবে রামিসা হত্যাকাণ্ডে ডলারের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে তারও সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের সময় আদালতে হাজির করা হলে সোহেল রানা সাংবাদিকদের সামনে দাবি করে, ‘ধর্ষণ করেছে ডলার, মারছেও ডলার। আমি শুধু লাশ গুম করতে চেয়েছি।’ একপর্যায়ে সে আরও দাবি করে, ‘মেয়েটাকে এনে দিতে পারলে ডলার আমাকে দুই লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল।’
তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, ‘তদন্ত চলাকালে ডলার নামে একজনের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেলেও তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ মেলেনি। ডিজিটাল তদন্তেও ঘটনাস্থলে তার উপস্থিতির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগপত্রে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।’




















ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম কমলো ৫৫ টাকা