ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রকল্প বাস্তবায়নে অপচয়-দুর্নীতি রোধে ডিসিদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারি প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের পাশাপাশি অপচয় ও দুর্নীতি রোধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। সোমবার (৪ মে) দুপুরে ডিসি সম্মেলনের অংশ হিসেবে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগে যেমন চলেছে এখনো সেরকম চলার কোনো সুযোগ নেই। সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময়সীমাও অসীম নয়।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি, ২০১৭ সালে প্রকল্প নেয়া হয়েছে কিন্তু এখনো সেটি চলমান। কয়েক দফায় সংশোধন হয়েছে এবং ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। কাজেই প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব বাধার সৃষ্টি হচ্ছে সেগুলো আমরা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি এবং কীভাবে সত্যিকার অর্থে এসব বাধা কাটিয়ে ওঠা যায় সেগুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভূমি অধিগ্রহণসহ জেলা প্রশাসকরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হন সেগুলো নিয়ে ডিসিরা নানা সমস্যার কথা লিখিতভাবে জানাচ্ছেন। সেগুলো নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি এসব সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে। এ সময় নতুন কোনো প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি মাথায় রেখে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের লক্ষ্য ও প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার ওপরও জোর দেয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রকল্প বাস্তবায়নে অপচয়-দুর্নীতি রোধে ডিসিদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

সরকারি প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের পাশাপাশি অপচয় ও দুর্নীতি রোধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। সোমবার (৪ মে) দুপুরে ডিসি সম্মেলনের অংশ হিসেবে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগে যেমন চলেছে এখনো সেরকম চলার কোনো সুযোগ নেই। সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময়সীমাও অসীম নয়।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি, ২০১৭ সালে প্রকল্প নেয়া হয়েছে কিন্তু এখনো সেটি চলমান। কয়েক দফায় সংশোধন হয়েছে এবং ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। কাজেই প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব বাধার সৃষ্টি হচ্ছে সেগুলো আমরা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি এবং কীভাবে সত্যিকার অর্থে এসব বাধা কাটিয়ে ওঠা যায় সেগুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভূমি অধিগ্রহণসহ জেলা প্রশাসকরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হন সেগুলো নিয়ে ডিসিরা নানা সমস্যার কথা লিখিতভাবে জানাচ্ছেন। সেগুলো নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি এসব সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে। এ সময় নতুন কোনো প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি মাথায় রেখে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের লক্ষ্য ও প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার ওপরও জোর দেয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।