ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফাইনালে বাবর-নাহিদদের পেশাওয়ারের সামনে হায়দরাবাদ

স্পোটর্স ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শেষ দুই ওভারে জয়ের সমীকরণ ছিল ২৮ রান। ১৯তম ওভারে ফাহিম আশরাফ ও ক্রিস গ্রিন মিলে ২২ রান তুললে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পায় ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৬ রান, কিন্তু অবিশ্বাস্য বোলিংয়ে মাত্র ৩ রান খরচ করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন হুনাইন শাহ।

পিএসএলের দ্বিতীয় এলিমেনটরে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে ২ রানে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে হায়দরাবাদ কিংসম্যান। আগামীকাল রোববার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বাবর আজম-নাহিদ রানার পেশাওয়ার জালমির মুখোমুখি হবে টুর্নামেন্টে প্রথমবার অংশগ্রহণ করা হায়দরাবাদ।

শুক্রবার রাতে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় এলিমিনেটরে প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৮৬ রান সংগ্রহ করে হায়দরাবাদ কিংসম্যান। জবাবে ৭ উইকেটে ১৮৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি ইসলামাবাদ।

টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় হায়দরাবাদ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই খাতা খোলার আগে ফেরেন ওপেনার মাজ সাদাকাত। দ্বিতীয় উইকেটে সাইম আইয়ুব (৩৮) ও অধিনায়ক মার্নাস লাবুশেন (৪০) ৭০ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন। মাঝপথে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও লাবুশেন দ্রুত বিদায় নিলে ৮৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে হায়দরাবাদ।

সেখান থেকে দলের হাল ধরেন উসমান খান ও কুশল পেরেরা। পঞ্চম উইকেটে তাদের ৪৬ বলে ১০১ রানের জুটিতে ১৮০ পেরোয় হায়দরাবাদ। উসমান ৩০ বলে ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন, আর পেরেরা করেন ২১ বলে ৩৭ রান। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ১৮৬ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পায় হায়দরাবাদ।

১৮৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ইসলামাবাদের। ১৫ রানেই দুই ব্যাটারকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে তারা। অধিনায়ক শাদাব খান (২২) ও ডেভন কনওয়ে (৩০) মিলে ৪২ রানের জুটি গড়ে ধাক্কা সামলানোর চেষ্টা করেন।

এরপর জয়ের কাজটা সহজ করে দিয়েছিলেন মার্ক চ্যাপম্যান ও হায়দার আলী। চতুর্থ উইকেটে গড়েন ৬৪ রানের জুটি। চ্যাপম্যান ২৬ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেন।

এই দুজন ফেরার পর শেষ ২ ওভারে জয়ের জন্য সমীকরণ দাঁড়ায় ২৮ রান। ১৯তম ওভারে মোহাম্মদ আলীর বোলিংয়ে ২২ রান তুলে ম্যাচ প্রায় হাতের মুঠোয় নিয়ে আসেন ফাহিম আশরাফ ও ক্রিস গ্রিন। সেখান থেকে হুনাইন শাহর দুর্দান্ত ডেথ বোলিংয়ে জয় পায় নবাগত হায়দরাবাদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফাইনালে বাবর-নাহিদদের পেশাওয়ারের সামনে হায়দরাবাদ

আপডেট সময় : ০১:১৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

শেষ দুই ওভারে জয়ের সমীকরণ ছিল ২৮ রান। ১৯তম ওভারে ফাহিম আশরাফ ও ক্রিস গ্রিন মিলে ২২ রান তুললে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পায় ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৬ রান, কিন্তু অবিশ্বাস্য বোলিংয়ে মাত্র ৩ রান খরচ করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন হুনাইন শাহ।

পিএসএলের দ্বিতীয় এলিমেনটরে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে ২ রানে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে হায়দরাবাদ কিংসম্যান। আগামীকাল রোববার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বাবর আজম-নাহিদ রানার পেশাওয়ার জালমির মুখোমুখি হবে টুর্নামেন্টে প্রথমবার অংশগ্রহণ করা হায়দরাবাদ।

শুক্রবার রাতে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় এলিমিনেটরে প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৮৬ রান সংগ্রহ করে হায়দরাবাদ কিংসম্যান। জবাবে ৭ উইকেটে ১৮৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি ইসলামাবাদ।

টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় হায়দরাবাদ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই খাতা খোলার আগে ফেরেন ওপেনার মাজ সাদাকাত। দ্বিতীয় উইকেটে সাইম আইয়ুব (৩৮) ও অধিনায়ক মার্নাস লাবুশেন (৪০) ৭০ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন। মাঝপথে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও লাবুশেন দ্রুত বিদায় নিলে ৮৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে হায়দরাবাদ।

সেখান থেকে দলের হাল ধরেন উসমান খান ও কুশল পেরেরা। পঞ্চম উইকেটে তাদের ৪৬ বলে ১০১ রানের জুটিতে ১৮০ পেরোয় হায়দরাবাদ। উসমান ৩০ বলে ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন, আর পেরেরা করেন ২১ বলে ৩৭ রান। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ১৮৬ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পায় হায়দরাবাদ।

১৮৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ইসলামাবাদের। ১৫ রানেই দুই ব্যাটারকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে তারা। অধিনায়ক শাদাব খান (২২) ও ডেভন কনওয়ে (৩০) মিলে ৪২ রানের জুটি গড়ে ধাক্কা সামলানোর চেষ্টা করেন।

এরপর জয়ের কাজটা সহজ করে দিয়েছিলেন মার্ক চ্যাপম্যান ও হায়দার আলী। চতুর্থ উইকেটে গড়েন ৬৪ রানের জুটি। চ্যাপম্যান ২৬ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেন।

এই দুজন ফেরার পর শেষ ২ ওভারে জয়ের জন্য সমীকরণ দাঁড়ায় ২৮ রান। ১৯তম ওভারে মোহাম্মদ আলীর বোলিংয়ে ২২ রান তুলে ম্যাচ প্রায় হাতের মুঠোয় নিয়ে আসেন ফাহিম আশরাফ ও ক্রিস গ্রিন। সেখান থেকে হুনাইন শাহর দুর্দান্ত ডেথ বোলিংয়ে জয় পায় নবাগত হায়দরাবাদ।