ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপে অফসাইড হওয়া মাত্রই বাজবে রেফারির বাঁশি

স্পোটর্স ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফুটবল মাঠে অফসাইডের সিদ্ধান্ত নিয়ে রেফারিদের পতাকা ওড়াতে দেরি করার দৃশ্যটি এবার অতীত হতে চলেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপে রেফারি ও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিদের (ভিএআর) সহায়তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন এবং উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্তা সংস্থা ফিফা।

নতুন সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তির ফলে সিদ্ধান্তগুলো আগের চেয়ে অনেক দ্রুত নেওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে সরাসরি ম্যাচ চলাকালীন অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিরা তাৎক্ষণিকভাবে অফসাইডের পতাকা তুলতে পারবেন।

ফিফার নতুন এই নিয়মে, কোনো খেলোয়াড় যদি প্রতিপক্ষের চেয়ে ১০ সেন্টিমিটারের বেশি অফসাইড পজিশনে থাকেন, তবে মাঠের সহকারী রেফারির কানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিয়েল-টাইম অডিও অ্যালার্ট যাবে।

এর আগে ক্লাব বিশ্বকাপ ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহৃত প্রযুক্তিতে এই ব্যবধান ছিল ৫০ সেন্টিমিটার। তবে প্রযুক্তিগত কোনো ত্রুটির সন্দেহ থাকলে পতাকা না তুলে খেলা চালিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত ক্ষমতা মাঠের রেফারির হাতেই থাকছে।

এই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রতিটি খেলোয়াড়ের হুবহু এআই-চালিত থ্রিডি অবতার তৈরি করার ঘোষণাও দিয়েছে ফিফা। নিখুঁত অফসাইড অ্যানিমেশন তৈরি করতেই মূলত এই উদ্যোগ।

এর জন্য বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া ৪৮ দলের ২৬ সদস্যের স্কোয়াডের মোট ১ হাজার ২৪৮ জন খেলোয়াড়ের প্রত্যেকের ডিজিটাল স্ক্যান করা হবে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অফিশিয়াল ফটোশুটের সময় বিশেষ চেম্বারে মাত্র এক সেকেন্ডের এই স্ক্যানিং প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হবে।

অফসাইডের পাশাপাশি গোল হওয়ার আগে বল মাঠের বাইরে গিয়েছিল কি না, তা নির্ধারণের প্রযুক্তিও অনুমোদন করেছে ফিফা। গোললাইন প্রযুক্তির মতোই নিখুঁত থ্রিডি অ্যানিমেশনের মাধ্যমে বলের সুনির্দিষ্ট অবস্থান পর্দায় ভেসে উঠবে। তাছাড়া বলের ভেতর থাকা বিশেষ চিপের সাহায্যে বলটিতে সর্বশেষ কার স্পর্শ লেগেছিল সেটিও ভিএআর প্রযুক্তির মাধ্যমে নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বকাপে অফসাইড হওয়া মাত্রই বাজবে রেফারির বাঁশি

আপডেট সময় : ১১:৫১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

ফুটবল মাঠে অফসাইডের সিদ্ধান্ত নিয়ে রেফারিদের পতাকা ওড়াতে দেরি করার দৃশ্যটি এবার অতীত হতে চলেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপে রেফারি ও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিদের (ভিএআর) সহায়তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন এবং উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্তা সংস্থা ফিফা।

নতুন সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তির ফলে সিদ্ধান্তগুলো আগের চেয়ে অনেক দ্রুত নেওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে সরাসরি ম্যাচ চলাকালীন অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিরা তাৎক্ষণিকভাবে অফসাইডের পতাকা তুলতে পারবেন।

ফিফার নতুন এই নিয়মে, কোনো খেলোয়াড় যদি প্রতিপক্ষের চেয়ে ১০ সেন্টিমিটারের বেশি অফসাইড পজিশনে থাকেন, তবে মাঠের সহকারী রেফারির কানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিয়েল-টাইম অডিও অ্যালার্ট যাবে।

এর আগে ক্লাব বিশ্বকাপ ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহৃত প্রযুক্তিতে এই ব্যবধান ছিল ৫০ সেন্টিমিটার। তবে প্রযুক্তিগত কোনো ত্রুটির সন্দেহ থাকলে পতাকা না তুলে খেলা চালিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত ক্ষমতা মাঠের রেফারির হাতেই থাকছে।

এই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রতিটি খেলোয়াড়ের হুবহু এআই-চালিত থ্রিডি অবতার তৈরি করার ঘোষণাও দিয়েছে ফিফা। নিখুঁত অফসাইড অ্যানিমেশন তৈরি করতেই মূলত এই উদ্যোগ।

এর জন্য বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া ৪৮ দলের ২৬ সদস্যের স্কোয়াডের মোট ১ হাজার ২৪৮ জন খেলোয়াড়ের প্রত্যেকের ডিজিটাল স্ক্যান করা হবে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অফিশিয়াল ফটোশুটের সময় বিশেষ চেম্বারে মাত্র এক সেকেন্ডের এই স্ক্যানিং প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হবে।

অফসাইডের পাশাপাশি গোল হওয়ার আগে বল মাঠের বাইরে গিয়েছিল কি না, তা নির্ধারণের প্রযুক্তিও অনুমোদন করেছে ফিফা। গোললাইন প্রযুক্তির মতোই নিখুঁত থ্রিডি অ্যানিমেশনের মাধ্যমে বলের সুনির্দিষ্ট অবস্থান পর্দায় ভেসে উঠবে। তাছাড়া বলের ভেতর থাকা বিশেষ চিপের সাহায্যে বলটিতে সর্বশেষ কার স্পর্শ লেগেছিল সেটিও ভিএআর প্রযুক্তির মাধ্যমে নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করা যাবে।