শান্তিচুক্তি না হলে ইরানের জন্য অপেক্ষা করছে ‘খুব খারাপ সময়’: ট্রাম্প
- আপডেট সময় : ১১:০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানকে নিয়ে ফের কঠোর অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফরাসি সম্প্রচারমাধ্যম বিএফএমটিভিকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে ইরানের সামনে “খুব খারাপ সময়” অপেক্ষা করছে।
ট্রাম্প বলেন, একটি সম্মানজনক চুক্তি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়, ইরানের নিজেদের স্বার্থেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওয়াশিংটন ও তেহরানের চলমান সামরিক ও কূটনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যেই তার এই বক্তব্য নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে।
এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেহরানের কাছে নতুন করে আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করে একটি বিশেষ বার্তা পাঠানো হয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের “সাংঘর্ষিক বার্তা” এবং অতীত অভিজ্ঞতার কারণে ওয়াশিংটনের প্রতি ইরানের গভীর অবিশ্বাস এখনো কাটেনি।
ইরানের অভিযোগ, অতীতে পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলাকালীন সময়েই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আকস্মিক বিমান হামলা চালিয়ে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ভেঙে দিয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতাই এখন নতুন আলোচনায় তেহরানকে আরও সতর্ক করে তুলছে।
এদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসন খুব শিগগিরই বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। মার্কিন সামরিক উপদেষ্টারা সম্ভাব্য নতুন অভিযানের বিস্তারিত পরিকল্পনাও প্রস্তুত রেখেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেননি।
পর্দার আড়ালে বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারী দেশ ইরানকে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি কূটনৈতিক চাপের মুখে এই সমুদ্রপথ খুলে দেয়, তাহলে ট্রাম্প আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এটিকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরতে পারবেন।

























‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিলে ছাড় দেওয়া হবে না: শুভেন্দু অধিকারী