আগামী সপ্তাহে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল
- আপডেট সময় : ১০:৪১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনায় কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় আগামী সপ্তাহের মধ্যেই দেশটিতে নতুন করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। গত শুক্রবার মধ্যপ্রাচ্যের দুজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এ তথ্য জানিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, নতুন করে এই সংঘাত শুরু হলে ইরানে আগের চেয়ে অনেক বেশি তীব্র বোমাবর্ষণ করা হবে, যেখানে মূল লক্ষ্যবস্তু হবে সামরিক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
এই যৌথ হামলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পারস্য উপসাগরে অবস্থিত ইরানের তেল রপ্তানির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখল করার কথা ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি, ইরানের মূল ভূখণ্ডে কমান্ডো পাঠিয়ে সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম জব্দ করে নিয়ে আসার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি পরিকল্পনাও রয়েছে। এই অভিযানে বিপুল সংখ্যক হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে এবং সহায়তাকারী বাহিনী হিসেবে সেখানে কয়েক হাজার সেনার উপস্থিতি প্রয়োজন হবে, যাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর সরাসরি সংঘাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, যুদ্ধ আসন্ন ধরে নিয়েই সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক অজ্ঞাত ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, তাঁরা এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। ওই কর্মকর্তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র অনুধাবন করতে পেরেছে যে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করে কোনো সমাধান আসবে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বুঝতে পেরেছে যে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় কোনো সমাধান আসছে না। তাই কয়েকদিন থেকে কয়েক সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করা হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আরও অনেক কিছু জানা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।
এর আগে গত শুক্রবার চীন সফর শেষে দেশে ফেরার পথে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি সত্যিকার অর্থে ২০ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করবেন। এর আগে তিনি শর্ত দিয়েছিলেন, ইরানকে স্থায়ীভাবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে হবে। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল






















হঠাৎ রাজধানীজুড়ে পুলিশের নিরাপত্তা জোরদার