ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সামরিক বাহিনীকে জনমুখী করতে সরকার দায়বদ্ধ: প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সামরিক বাহিনীকে জনমুখী করতে সরকার দায়বদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক উপদেষ্টা ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

আজ (মঙ্গলবার, ৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে তৃতীয় দিনের মত চলা জেলা প্রশাসক সম্মেলনের প্রতিরক্ষা বিষয়ক আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আরও পেশাদার ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে আরও শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গঠনে সশস্ত্র বাহিনীর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ডিসিদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

বিগত নির্বাচনে জেলা প্রশাসকরা সেনাবাহিনীর ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলেও জানান তিনি। তিনি জানান, সরকার সামরিক বাহিনীকে জনমুখী করতে চায়, তাই আগামীতে সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে দেশের হয় এক হয়ে কাজ করবে সেনাবাহিনী সে পদক্ষেপও নেয়া হচ্ছে।

শামছুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে সেনাবাহিনী, জেলা প্রশাসক এবং সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের যে রোল ও হারমনিতে কাজ করেছে সেই হারমনি আরও কীভাবে শক্তিশালী করা যায় সে বিষয় আলোচনা হয়েছে। পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস কীভাবে আরও বৃদ্ধি করা যায় এ বিষয় আমরা আলোচনা করেছি। সর্বোপরি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর যে দিক নির্দেশনা ছিল, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার, যে বিষয়গুলো জেলা প্রশাসকদের জানা উচিত সে বিষয়গুলো সম্পর্কে আমরা তাদের অবহিত করেছি। সামগ্রিকভাবে এটা একটি ফলপ্রসূ আলোচনা পর্ব ছিল।

জেলা প্রশাসকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের বিমোহিত করেছে। আমরা আশা করি যে সহায়তায়র প্রতিশ্রুতি তারা দিয়েছেন সেই প্রতিশ্রুতির মধ্যে দিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ ও সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যাশা করে ইনশাআল্লাহ সেটা পূরণ হবে, যোগ করেন তিনি।

মাঠে থাকাকালে সেনা সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন উপদেষ্টা। প্রেস বিফিংয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান যে, দীর্ঘ সময় সেনা সদস্যরা প্রতিরক্ষার দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সময়ে মাঠ সেনাদের দায়িত্বে গ্যাপ ছিলো কি না? এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকরা কি বলেছেন?

সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে এই বাহিনীতে যোগদান করেছেন। তারা ফজরের নামাজ থেকে শুরু করে রাত অব্দি, আইদার প্রশিক্ষণ অথবা প্রশাসনিক কাজ করেন। অনেক সেনা সদস্য রাতে ঘুমানোর সুযোগ পান না। দুইদিন পর হয়তো রাতে একটু ঘুমাতে পারেন।

তিনি বলেন, আজকের সভায় প্রায় প্রত্যেক জেলা প্রশাসক সেনা সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রসংশা করেছেন। একইসঙ্গে বাহিনীর প্রধান এবং আমাদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সামরিক বাহিনীকে জনমুখী করতে সরকার দায়বদ্ধ: প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৩:১৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

সামরিক বাহিনীকে জনমুখী করতে সরকার দায়বদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক উপদেষ্টা ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

আজ (মঙ্গলবার, ৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে তৃতীয় দিনের মত চলা জেলা প্রশাসক সম্মেলনের প্রতিরক্ষা বিষয়ক আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আরও পেশাদার ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে আরও শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গঠনে সশস্ত্র বাহিনীর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ডিসিদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

বিগত নির্বাচনে জেলা প্রশাসকরা সেনাবাহিনীর ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলেও জানান তিনি। তিনি জানান, সরকার সামরিক বাহিনীকে জনমুখী করতে চায়, তাই আগামীতে সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে দেশের হয় এক হয়ে কাজ করবে সেনাবাহিনী সে পদক্ষেপও নেয়া হচ্ছে।

শামছুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে সেনাবাহিনী, জেলা প্রশাসক এবং সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের যে রোল ও হারমনিতে কাজ করেছে সেই হারমনি আরও কীভাবে শক্তিশালী করা যায় সে বিষয় আলোচনা হয়েছে। পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস কীভাবে আরও বৃদ্ধি করা যায় এ বিষয় আমরা আলোচনা করেছি। সর্বোপরি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর যে দিক নির্দেশনা ছিল, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার, যে বিষয়গুলো জেলা প্রশাসকদের জানা উচিত সে বিষয়গুলো সম্পর্কে আমরা তাদের অবহিত করেছি। সামগ্রিকভাবে এটা একটি ফলপ্রসূ আলোচনা পর্ব ছিল।

জেলা প্রশাসকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের বিমোহিত করেছে। আমরা আশা করি যে সহায়তায়র প্রতিশ্রুতি তারা দিয়েছেন সেই প্রতিশ্রুতির মধ্যে দিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ ও সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যাশা করে ইনশাআল্লাহ সেটা পূরণ হবে, যোগ করেন তিনি।

মাঠে থাকাকালে সেনা সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন উপদেষ্টা। প্রেস বিফিংয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান যে, দীর্ঘ সময় সেনা সদস্যরা প্রতিরক্ষার দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সময়ে মাঠ সেনাদের দায়িত্বে গ্যাপ ছিলো কি না? এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকরা কি বলেছেন?

সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে এই বাহিনীতে যোগদান করেছেন। তারা ফজরের নামাজ থেকে শুরু করে রাত অব্দি, আইদার প্রশিক্ষণ অথবা প্রশাসনিক কাজ করেন। অনেক সেনা সদস্য রাতে ঘুমানোর সুযোগ পান না। দুইদিন পর হয়তো রাতে একটু ঘুমাতে পারেন।

তিনি বলেন, আজকের সভায় প্রায় প্রত্যেক জেলা প্রশাসক সেনা সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রসংশা করেছেন। একইসঙ্গে বাহিনীর প্রধান এবং আমাদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।