ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেসরকারি শিক্ষকদের ছয় মাসের বেশি বরখাস্ত না রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৯৩ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের ছয় মাসের বেশি সাময়িক বরখাস্ত রাখা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।  বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়েছেন, এই সময়ের বেশি বরখাস্ত করে রাখলে ওই আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।

এ সংক্রান্ত এক রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।

হাইকোর্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে এ ব্যাপারে একটি নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন।

মাগুরা উপজেলা সদরের বাহারবাগ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. বাদশা মিয়াকে অতিরিক্ত বেতন নেওয়ার অভিযোগে ২০০৭ সালে সামরিক বরখাস্ত করা হয়।

দীর্ঘ ১৪ বছরেও সে অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়ায় ২০১৭ সালে বরখাস্তের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন বাদশা মিয়া।

বাদশা মিয়ার পক্ষে আইনজীবী শুনানি করেন আইনজীবী হুমায়ুন কবির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বেসরকারি শিক্ষকদের ছয় মাসের বেশি বরখাস্ত না রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০২:৫২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের ছয় মাসের বেশি সাময়িক বরখাস্ত রাখা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।  বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়েছেন, এই সময়ের বেশি বরখাস্ত করে রাখলে ওই আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।

এ সংক্রান্ত এক রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।

হাইকোর্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে এ ব্যাপারে একটি নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন।

মাগুরা উপজেলা সদরের বাহারবাগ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. বাদশা মিয়াকে অতিরিক্ত বেতন নেওয়ার অভিযোগে ২০০৭ সালে সামরিক বরখাস্ত করা হয়।

দীর্ঘ ১৪ বছরেও সে অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়ায় ২০১৭ সালে বরখাস্তের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন বাদশা মিয়া।

বাদশা মিয়ার পক্ষে আইনজীবী শুনানি করেন আইনজীবী হুমায়ুন কবির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।