ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের প্রগতির টার্নিং পয়েন্ট : মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:০১:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫ ৭০ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সৈনিক এবং দেশপ্রেমিক মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে আধিপত্যবাদের চক্রান্তকে বানচাল করে দিয়ে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি অবস্থা থেকে উদ্ধার করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেন।

তিনি বলেন, এটি ছিল বাংলাদেশের প্রগতির টার্নিং পয়েন্ট। তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের একদলীয় বাকশাল থেকে দেশকে বহুদলীয় গণতন্ত্র এনে দেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করেন, জনগণের অধিকার নিশ্চিত করেন।

আজ শুক্রবার (৭ নভেম্বর) মহান বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহীদ জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা ও ফাতিহা পাঠ শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এ মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজ গার্মেন্টস বা আরএমজি সেক্টর থেকে আমরা যে অর্থ আয় করি, এছাড়া বিদেশ থেকে শ্রমিক ভাইয়েরা যে রেমিট্যান্স নিয়ে আসে, তার ভিত্তিও গড়ে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। এই ক্ষণজন্মা পুরুষ বাংলাদেশের অগ্রগতির মূলভিত্তি রচনা করে দিয়েছিলেন।

সেই জন্যই আজকের এই দিনটি শুধু বিএনপি নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনচেতা মানুষ, গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে অত্যন্ত একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন, যোগ করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজ বাংলাদেশে গণ-অভ্যুত্থানের পরে যখন বিভিন্ন রকমভাবে একটা চক্রান্ত চলছে আবার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা জন্য, সেই মুহূর্তে এই ৭ নভেম্বর আমাদেরকে সেই পথে যেতে অনুপ্রাণিত করে, যে পথে সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে নির্মাণ করতে পারবো। জনগণের ভোটের অধিকার, বিচার-অধিকারকে নিশ্চিত করতে পারবো। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে, বিএনপি এগিয়ে যাবে। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাবো।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আব্দুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের প্রগতির টার্নিং পয়েন্ট : মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৩:০১:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সৈনিক এবং দেশপ্রেমিক মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে আধিপত্যবাদের চক্রান্তকে বানচাল করে দিয়ে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি অবস্থা থেকে উদ্ধার করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেন।

তিনি বলেন, এটি ছিল বাংলাদেশের প্রগতির টার্নিং পয়েন্ট। তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের একদলীয় বাকশাল থেকে দেশকে বহুদলীয় গণতন্ত্র এনে দেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করেন, জনগণের অধিকার নিশ্চিত করেন।

আজ শুক্রবার (৭ নভেম্বর) মহান বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহীদ জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা ও ফাতিহা পাঠ শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এ মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজ গার্মেন্টস বা আরএমজি সেক্টর থেকে আমরা যে অর্থ আয় করি, এছাড়া বিদেশ থেকে শ্রমিক ভাইয়েরা যে রেমিট্যান্স নিয়ে আসে, তার ভিত্তিও গড়ে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। এই ক্ষণজন্মা পুরুষ বাংলাদেশের অগ্রগতির মূলভিত্তি রচনা করে দিয়েছিলেন।

সেই জন্যই আজকের এই দিনটি শুধু বিএনপি নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনচেতা মানুষ, গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে অত্যন্ত একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন, যোগ করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজ বাংলাদেশে গণ-অভ্যুত্থানের পরে যখন বিভিন্ন রকমভাবে একটা চক্রান্ত চলছে আবার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা জন্য, সেই মুহূর্তে এই ৭ নভেম্বর আমাদেরকে সেই পথে যেতে অনুপ্রাণিত করে, যে পথে সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে নির্মাণ করতে পারবো। জনগণের ভোটের অধিকার, বিচার-অধিকারকে নিশ্চিত করতে পারবো। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে, বিএনপি এগিয়ে যাবে। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাবো।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আব্দুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রমুখ।