ব্যর্থ রাষ্ট্র না চাইলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে: মির্জা ফখরুল
- আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫ ৭২ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র করতে না চাইলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, কোনো একটি মহল অত্যন্ত সচেতনতার সাথে ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিগুলোর মাঝে বিভক্তি সৃষ্টি করছে কি না খতিয়ে দেখতে হবে। শেখ হাসিনার রায় ঘিরে যে মবোক্রেসি হয়েছে, তা শেখ হাসিনার রায়কে ভিন্ন খাতে ঘুরিয়ে দিতে করা হয়েছে কি না সেই প্রশ্নও রাখেন তিনি।
শুধু নির্বাচন নয়, নির্বাচনের পরেও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দেশে একদিকে শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের রায় দেয়া হচ্ছে, অন্যদিকে একটি পক্ষ মব করছে। আমি মনে করি এই রায়ের গুরুত্ব কমিয়ে দেয়ার জন্য একটা বিশেষ মহল বিশ্বদৃষ্টিকে ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য এই কাজগুলো করছে। এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে।
গণতন্ত্রকে কেবলমাত্র নির্বাচনের সময় সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; বরং এটি হতে হবে ধারাবাহিক সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া— এমন মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, তাদের সবাইকে নির্বাচন শেষ হওয়ার পরও সমান উদ্যমে কাজ করতে হবে। গণতন্ত্র শুধু ভোটের দিন নয়, প্রতিদিন রক্ষা করতে হয়।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র সংহত করতে সাংস্কৃতিক সহনশীলতা, ভিন্নমতকে সম্মান এবং পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। শুধু নির্বাচন হলেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় না; শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান যেমন বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, গণমাধ্যম ও সংসদকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠান ছাড়া বাংলাদেশকে রক্ষা করা যাবে না। নির্বাচিত শক্তিশালী সরকার ছাড়া সংকট মোকাবেলা সম্ভব নয়।
















শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল স্বৈরাচাররা : তারেক রহমান