ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বৈঠকের বিষয়ে ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি। তিনি বলেন, ‘১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এটি মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত। এতে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হবেন। তাঁদের মূল ঋণ ও সুদসহ সমুদয় টাকা মওকুফ করা হবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী করা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদসহ কৃষকদের নিকট পাওনা রয়েছে প্রায় ১৫৫০ কোটি টাকা, যা এ মওকুফের আওতাভুক্ত হবে।

এ ঋণ মওকুফ করা হলে দরিদ্র কৃষকরা উপকৃত হবেন জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এ ঋণ মওকুফ করা হলে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক প্রত্যক্ষভাবে লাভবান হবে। এর ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা ঋণের দায় হতে মুক্ত হতে পারবেন, যা তাদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষিখাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘যাঁদের কৃষিঋণ মওকুফ হবে, তাঁরা কৃষিকার্ডের আওতা-বহির্ভূত থাকবেন না। তাঁরাও কৃষিকার্ড পাবেন।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সরকারের ১৯৯১-১৯৯৬ সময়ে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ-আসল মওকুফ করা হয়েছিল, যা কৃষকদের কষ্ট লাঘব করে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিল বলেও এসময় জানানো হয়।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়মতো অফিসে আসার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সঠিক সময়ে অফিসে না এলে নিখুঁতভাবে সেটি দেখা হবে। প্রধানমন্ত্রী জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে প্রটোকল নিচ্ছেন না। তিনি অনেক আগেই সচিবালয়ে চলে আসেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০৩:৫৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বৈঠকের বিষয়ে ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি। তিনি বলেন, ‘১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এটি মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত। এতে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হবেন। তাঁদের মূল ঋণ ও সুদসহ সমুদয় টাকা মওকুফ করা হবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী করা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদসহ কৃষকদের নিকট পাওনা রয়েছে প্রায় ১৫৫০ কোটি টাকা, যা এ মওকুফের আওতাভুক্ত হবে।

এ ঋণ মওকুফ করা হলে দরিদ্র কৃষকরা উপকৃত হবেন জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এ ঋণ মওকুফ করা হলে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক প্রত্যক্ষভাবে লাভবান হবে। এর ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা ঋণের দায় হতে মুক্ত হতে পারবেন, যা তাদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষিখাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘যাঁদের কৃষিঋণ মওকুফ হবে, তাঁরা কৃষিকার্ডের আওতা-বহির্ভূত থাকবেন না। তাঁরাও কৃষিকার্ড পাবেন।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সরকারের ১৯৯১-১৯৯৬ সময়ে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ-আসল মওকুফ করা হয়েছিল, যা কৃষকদের কষ্ট লাঘব করে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিল বলেও এসময় জানানো হয়।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়মতো অফিসে আসার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সঠিক সময়ে অফিসে না এলে নিখুঁতভাবে সেটি দেখা হবে। প্রধানমন্ত্রী জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে প্রটোকল নিচ্ছেন না। তিনি অনেক আগেই সচিবালয়ে চলে আসেন।’