ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তির বিভিন্ন ধারা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনে সংযোজন-বিয়োজনের সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে সফররত মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস পল কাপুরের সঙ্গে এক সৌজন্য বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে চুক্তির ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় দিক নিয়েই আলোচনা হয়েছে। প্রয়োজনে চুক্তিতে নতুন ধারা যুক্ত করা বা বর্তমান কোনো ধারা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট বাড়তি শুল্ক নিয়ে একটি রায় দিয়েছে, যার ফলে এই বিষয়টি এখন একটি বিকাশমান পর্যায়ে রয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ‘নন-ট্যারিফ’ বা অশুল্ক বাধাগুলো নিয়েও আলোচনা হয়। মন্ত্রী স্বীকার করেন যে, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু প্রশাসনিক বা প্রযুক্তিগত প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, এসব বাধা দূর করতে পারলে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের প্রবাহ আরও বাড়বে এবং সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:০৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তির বিভিন্ন ধারা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনে সংযোজন-বিয়োজনের সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে সফররত মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস পল কাপুরের সঙ্গে এক সৌজন্য বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে চুক্তির ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় দিক নিয়েই আলোচনা হয়েছে। প্রয়োজনে চুক্তিতে নতুন ধারা যুক্ত করা বা বর্তমান কোনো ধারা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট বাড়তি শুল্ক নিয়ে একটি রায় দিয়েছে, যার ফলে এই বিষয়টি এখন একটি বিকাশমান পর্যায়ে রয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ‘নন-ট্যারিফ’ বা অশুল্ক বাধাগুলো নিয়েও আলোচনা হয়। মন্ত্রী স্বীকার করেন যে, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু প্রশাসনিক বা প্রযুক্তিগত প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, এসব বাধা দূর করতে পারলে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের প্রবাহ আরও বাড়বে এবং সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।