ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এবার মারমুখী অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি ইরানের

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ ৬০ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, সংঘাতের পরবর্তী ধাপে এমন কিছু উন্নত ও অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যা আগে কখনো বড় পরিসরে ব্যবহার করা হয়নি।

শুক্রবার (৬ মার্চ) আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নায়েইনি এ সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, ইরানের শত্রুদের জন্য হামলার পরবর্তী ঢেউয়ে অত্যন্ত “বেদনাদায়ক আঘাত” অপেক্ষা করছে। তেহরানের এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনাকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

নায়েইনি জানান, ইরানের উদ্ভাবিত নতুন প্রযুক্তি ও বিধ্বংসী অস্ত্রশস্ত্র ইতোমধ্যে যুদ্ধক্ষেত্রের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং সেগুলো এখনো বড় পরিসরে মোতায়েন করা হয়নি। তার দাবি, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যে ১২ দিনের সংঘাত হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান তার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত।

তিনি এই সংঘাতকে ‌‘পবিত্র ও বৈধ যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো ধরনের আত্মত্যাগ করতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তেহরান কেবল প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানেই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সামরিক কৌশলের দিকেও এগোচ্ছে।

তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নায়েইনি আরও বলেন, শত্রুপক্ষ এখনো ইরানের প্রকৃত সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নয়। ইরানের অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রযুক্তির ভাণ্ডার যেকোনো বড় ধরনের আগ্রাসন মোকাবিলায় সক্ষম বলেও দাবি করেন তিনি। সূত্র: মিডল ইস্ট আই

নিউজটি শেয়ার করুন

এবার মারমুখী অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি ইরানের

আপডেট সময় : ০৪:০৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, সংঘাতের পরবর্তী ধাপে এমন কিছু উন্নত ও অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যা আগে কখনো বড় পরিসরে ব্যবহার করা হয়নি।

শুক্রবার (৬ মার্চ) আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নায়েইনি এ সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, ইরানের শত্রুদের জন্য হামলার পরবর্তী ঢেউয়ে অত্যন্ত “বেদনাদায়ক আঘাত” অপেক্ষা করছে। তেহরানের এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনাকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

নায়েইনি জানান, ইরানের উদ্ভাবিত নতুন প্রযুক্তি ও বিধ্বংসী অস্ত্রশস্ত্র ইতোমধ্যে যুদ্ধক্ষেত্রের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং সেগুলো এখনো বড় পরিসরে মোতায়েন করা হয়নি। তার দাবি, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যে ১২ দিনের সংঘাত হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান তার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত।

তিনি এই সংঘাতকে ‌‘পবিত্র ও বৈধ যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো ধরনের আত্মত্যাগ করতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তেহরান কেবল প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানেই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সামরিক কৌশলের দিকেও এগোচ্ছে।

তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নায়েইনি আরও বলেন, শত্রুপক্ষ এখনো ইরানের প্রকৃত সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নয়। ইরানের অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রযুক্তির ভাণ্ডার যেকোনো বড় ধরনের আগ্রাসন মোকাবিলায় সক্ষম বলেও দাবি করেন তিনি। সূত্র: মিডল ইস্ট আই