সংসদের প্রথম অধিবেশন খালি চেয়ার দিয়েই শুরু হবে: চিফ হুইপ
- আপডেট সময় : ০৪:২১:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন খালি চেয়ার দিয়েই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সরকার দলের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার না থাকায় এবার চিরাচরিত নিয়মে অধিবেশন শুরু হচ্ছে না। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ (বুধবার, ১১ মার্চ) দুপুরে সংসদ ভবন থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি।
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আজকের বৈঠকে সংসদের কার্যক্রমের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্রথম দিনে সংসদ খালি চেয়ার দিয়েই শুরু হবে এবং কর্মকমিশনের চিঠি উত্থাপন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আগামীকাল রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন সংসদে ভাষণ দেবেন। সেই ভাষণের মধ্য দিয়েই আগামীকালের অধিবেশন শেষ হবে।’
চিফ হুইপ দৃঢ়তার সাথে বলেন, ‘এবারের সংসদ হবে জনগণের কাঙ্ক্ষিত এবং আস্থার প্রতিফলন। আমরা একটি কার্যকর, দায়িত্বশীল এবং প্রাণবন্ত সংসদ উপহার দিতে চাই, যেখানে জনগণের প্রতিটি দাবি যথাযথভাবে মূল্যায়িত হবে।’
বুধবারের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। চিফ হুইপ জানান, প্রধানমন্ত্রী চান সংসদ হবে রাষ্ট্র সংস্কার ও জনসেবার প্রধান কেন্দ্র। এই লক্ষ্য অর্জনে সরকারি দলের পক্ষ থেকে সংসদীয় কমিটি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ক্ষমতা সংসদ নেতার ওপর অর্পণ করেছে।
নুরুল ইসলাম বলেন, ‘সংসদ নেতা যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, তাঁর নামই প্রস্তাব করবেন এবং সংসদীয় দল তাতে পূর্ণ সমর্থন জানাবে।
ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে বিরোধীদলের সঙ্গে এখনো কোনো সমঝোতা হয়নি বলেও জানান তিনি। নূরুল ইসলাম বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকেও ডেপুটি স্পিকার দেয়ার বিষয়ে এখনো ইতিবাচক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। সাড়া পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধান সংস্কার কমিটির সদস্যরা এখনো শপথ নেননি, কারণ সংবিধানে এ বিষয়ে কোনো বিধান নেই। সংবিধানে “জুলাই সনদ” সংযুক্ত হলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’
একই সঙ্গে তিনি বিরোধীদলের গঠনমূলক সমালোচনা ও সমর্থন কামনা করে বলেন, ‘সবাই মিলে গণতান্ত্রিক ও স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়তে কাজ করা হবে।’
‘আগামীকাল বেলা ১১টায় নির্ধারিত হবে ত্রয়োদশ সংসদের অভিভাবক কে হচ্ছেন। চিফ হুইপের এই ‘জনগণের কাঙ্ক্ষিত সংসদ’ গড়ার ঘোষণা এবং বিরোধী দলের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এখন দেখার বিষয়, বিরোধী দল এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে রাজপথের লড়াইয়ের বদলে সংসদীয় বিতর্কে কতটা সক্রিয় হয়।














শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল স্বৈরাচাররা : তারেক রহমান